ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেত্রী নাসরিন স্পিকারের সঙ্গে মজিবর রহমান সরোয়ার'র সৌজন্য সাক্ষাৎ ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এখন থেকে রাতের ভোটে কেউ জনপ্রতিনিধি হতে পারবে না: জহির উদ্দিন স্বপন বরিশালে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৭ মঠবাড়িয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য শামিম শাহনেওয়াজের বাবা মজিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে : ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এসআরবি’র অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা
  • ঝালকাঠিতে পাঠক ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে গণগ্রন্থাগার

     ঝালকাঠিতে পাঠক ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে গণগ্রন্থাগার
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঝালকাঠিতে পাঠক ও জনবল সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার। প্রায় ২০০ পাঠকের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই গ্রন্থাগারটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৫-১৬ জন পাঠক আসেন। এছাড়া গ্রন্থাগারটিতে ৪০ হাজার বই থাকলেও এখানে সদস্য মাত্র ৯৮ জন। অথচ যে পরিমাণ বই এখানে আছে, তাতে দেড় থেকে দুই হাজার সদস্যকে বাড়িতে নিয়ে বই পড়তে দেওয়া সম্ভব।

    এদিকে, পাঠক সংকট ছাড়াও গ্রন্থাগারটিতে রয়েছে জনবল সংকট। দেড় বছর ধরে এখানে লাইব্রেরিয়ানের পদ খালি। মোট আটটি পদ থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। তবে গ্রন্থাগারটির দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জনবল সংকটের বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংকট কেটে গলে পাঠক বাড়ানোরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

     

    জানা গেছে, ২০০০ সালে ঝালকাঠি শহরের নতুন কলেজ রোডে ৩৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ঝালকাঠি জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি ছোট পরিসরে শহরের পৌর ভবনের গেট সংলগ্ন একটি ভবনে ছিল। বর্তমানে এই গ্রন্থাগারে ৪০ হাজার বই রয়েছে। দেড় থেকে ২০০ পাঠক এখানে বই পড়তে পারেন। কিন্তু পাঠক সংখ্যা এখানে নিতান্তই কম। গ্রন্থাগারের রেজিস্টার খাতায় দেখা যায়, প্রতিদিন এখানে গড়ে ১৫-১৬ জন পাঠক বই ও পত্রিকা পড়তে আসেন। গ্রন্থাগারের সদস্য হলে এখান থেকে বই নিয়ে বাড়িতে বসে পড়া যায়। আবার ফেরত দিয়ে নতুন বই নেওয়া যায়। ছাত্রদের জন্য এখানে সদস্য ফি জামানত হিসেবে নেওয়া হয় ৩০০ টাকা, শিশুদের জন্য ২০০ এবং অন্য পাঠকদের জন্য ৫০০ টাকা। তবে এই গ্রন্থাগারের সদস্য সংখ্যা মাত্র ৯৮ জন।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রন্থাগারে যে পরিমাণ বই রয়েছে, তাতে তারা দেড় থেকে দুই হাজার সদস্যকে বই দিতে পারেন। পাঠক সংকট ছাড়াও গ্রন্থাগারটিতে রয়েছে জনবল সংকট। বর্তমানে এখানে একজন লাইব্রেরি সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক রয়েছেন। লাইব্রেরি সহকারী আছেন গ্রন্থাগারের সার্বিক দায়িত্বে। অথচ এখানে পদ রয়েছে আটটি। অফিস প্রধানের লাইব্রেরিয়ান পদই দেড় বছর ধরে শূন্য। এছাড়া শূন্য রয়েছে জুনিয়র লাইব্রেরিয়ান, ক্যাটালগার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, বুক শার্টার ও নৈশপ্রহরীর পদ। কবে এসব শূন্যপদ পূরণ হবে তা এখানে কর্মরতরাও জানেন না।

     

    এখানে বই পড়তে আসা পাঠকরা জানান, ছাত্র ও যুবকদের মধ্যে মোবাইল ফোন আসক্তির কারণে গ্রন্থাগারে পাঠক কমে যাচ্ছে।

    জানতে চাইলে ঝালকাঠি জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (লাইব্রেরিয়ান সহকারী) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পাঠকদের জন্য প্রচুর বই থাকলেও সে তুলনায় পাঠক নেই। এছাড়া এত বড় লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য যে জনবল দরকার সেটাও তাদের নেই। তবে জনবল সংকটের বিষয়টি তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ