সরকারি বিএম কলেজে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকারি ব্রজমোহন কলেজ প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে সকাল ৬ টা ১৪ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে 'ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ' জাতীয় দিবস উদযাপনের সূচনা করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আলামিন সরোয়ার, 'ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ' জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায় প্রফেসর এ কে এম সামসুর রহমান এবং অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী সহ রোভার স্কাউট, বিএনসিসি ও উত্তরন সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
এদিকে সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সরকারি বিএম কলেজ প্রশাসন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বেলা ১১ টা ১৫ মিনিটে সরকারি বিএম কলেজ শিক্ষক মিলানায়তনের পাসে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু কর্নারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
অন্যদিকে বেলা ১১ টা ৩০ মিনিটে 'ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ' জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর এ কে এম সামসুর রহামানের সভাপতিত্বে শিক্ষক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ এস কাইয়ুম উদ্দীন আহমেদ ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক জনাব আলামিন সরোয়ার। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোছা. হালিমা পারভীন।
এসময় বক্তারা বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ছিলো বাঙ্গালীর মুক্তির সনদ এবং পৃথিবীর অলিখিত সনদ যা বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়ানো প্রতিটি মজলুম, নিপিড়ীত মানুষের হৃদয় ছুয়ে যায়। প্রায় দশ লক্ষ মানুষের উপস্থিতে প্রায় ১৯ মিনিটের এই ভাষানকে আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষনের সাথে তুলনা করার কথা উল্লেখ করেন। তারা আরো উল্লেখ করেন যে এই ভাষনের কারনে বলেন অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তার এই ভাষনের মাধ্যমে জাতির সম্মিলিত প্রয়াসে ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বঙ্গবন্ধুকে শান্তিতে মরনোত্তর নোবেল পুরষ্কার ঘোষণা করার জন্য কলেজ প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারকে আন্তর্জাতিক মহলের সাথে কাজ করার আহবান জানান। বক্তারা 'ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষনের প্রচার প্রসার ও গবেষণার ব্যাপারে গুরুত্ব দেন। তারা বলেন এই ভাষন থেকে জাতির অনেক কিছু শেখার ও জানার আছে।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে উত্তরন সাংস্কৃতিক পরিষদ কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে গান পরিবেশ ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয় শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরন করা হয়।
এমইউআর