অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিএমপি সদস্যদের জন্য বডি ক্যামেরা উদ্বোধন

অপরাধি চিহ্নিত এবং অপরাধের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহে এখন থেকে বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করবে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। এ ক্যামেরার সহজে যেমন তথ্য প্রমাণ সংগ্রহে সুবিধা থাকবে তেমনি পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত বা পুলিশের আচরণ ও গতিবিধি রেকর্ড করতে পারবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রোববার এই ক্যামেরার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন অতিরিক্ত আইজিপি ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান- বিপিএম (বার)। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদরদপ্তরে সম্মেলন কক্ষে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, বডি অন ক্যামেরা পুলিশের ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে। এভিডেন্স কালেকশনের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর সঠিক ব্যবহার অপরাধ তথা অপরাধী শনাক্তেও জন্য যেমনি গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পুলিশ সদস্যদেরও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় শেষে বিএমপি কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান প্রাথমিক পর্যায়ে প্রাপ্ত বডি অন ক্যামেরাগুলো বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল থানা, ট্রাফিক, ডিবি, সিটিএসবিতে কর্মরত সদস্যদের নিকট তুলে দেন। এর আগে বডি অন ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের ওপর পুলিশ সদস্যদের দুদিন ব্যাপি প্রশিক্ষক দেয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নজরুল হোসেন, মো. মোকতার হোসেন, মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, মো. আলী আশরাফ ভূঁঞা, এসএম তানভীর আরাফাত, খান মুহাম্মদ আবু নাসের, মো. মনজুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বডি অন ক্যামেরার মাধ্যমে জিপিএস প্রযুক্তির সহায়তায় যেকোন স্থানে বসেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম নজরদারি করতে পারবেন। এ ছাড়াও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কেউ খারাপ আচরণ বা হামলা করলে সেগুলো রেকর্ড থেকে যাবে।
এইচকেআর