আগৈলঝাড়ায় মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ক্লাসে পড়া দিতে না পারায় মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে অমানুষিক নির্যাতন করে চিকিৎসা না করিয়ে মাদ্রাসায় আটক করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে।
থানায় লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের আল জামিয়াতুন নাফিছিয়া আল ইসলামিয়া (মারকাজ) মাদ্রাসার ছাত্র ও কোটালীপাড়া উপজেলার দক্ষিণ কয়খা গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে নুরানী প্রথম জামাতের শিশু শিক্ষার্থী ইমন মুন্সীর (১২) গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ক্লাসে পড়া না পারার কারনে মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা মো. মিজানুর রহমান ও মিনহাজ খন্দকার তাকে বেত্রাঘাতসহ অমানুষিক নির্যাতন করে।
শিশু শিক্ষার্থীর পিতা আলমগীর হোসেন জানান, মাদ্রাসার শিক্ষকের নির্যাতনে ইমন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলেও তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে মাদ্রাসায় আটক করে রাখে তারা। শিশু শিক্ষার্থী ইমন মুন্সী আহত অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে কৌশলে পালিয়ে বাড়িতে গিয়ে তার পিতাকে ঘটনাটি জানায়। পরবর্তীতে ওইদিন (বৃহস্পতিবার) রাতে ইমনের পিতা আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে আগৈলঝাড়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছে।
মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. মিজানুর রহমান জানান, সামান্য ঘটনায় শিশু শিক্ষার্থীকে একটু গালমন্দ করা হয়েছে। এব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, শিশু শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় তিনি থানায় কোন অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এইচকেআর