ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জনের মধ্যেই ইশরাকের বার্তা দুই শিশুকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা, দেয়ালে লেখা ছিল ‘এই গল্প শেষ’ নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন বিসিসি প্রশাসক  ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাউনিয়া বালিকা ফাজিল মডেল মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও ৭ দফা দাবিতে পদ্মা ব্লোয়িংয়ে গেট মিটিং সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু বরিশালে চার ঘন্টার অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
  • মেঝেতে কীটনাশক ছড়িয়ে থাকতে দেখেই চিৎকার করেন মা

     মেঝেতে কীটনাশক ছড়িয়ে থাকতে দেখেই চিৎকার করেন মা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনায় গুঁড়ো দুধ ভেবে কীটনাশক (বাসুডিন) খেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরগুনা সদরের বালিয়াতলী ইউনিয়নে শশাতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু মো. ইসা (৪) বরগুনার ঢলুয়া ইউনিয়নের ফুল ঢলুয়া গ্রামের ইউনুস হোসেনের ছেলে।

    শিশুটি এ গ্রামেই তার নানা বাড়িতে বেড়া এসেছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুদিন আগে মায়ের সঙ্গে শশাতলী গ্রামে নানা মজিদ ফকিকের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এরপর গতকাল সকালে বাড়ির পাশে মাঠে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল ইসা। কিছুক্ষণ পর নানা মজিদ ফকিরের ঘরে প্রবেশ করে পেছনের বারান্দায় থাকা বাক্স থাকা কীটনাশক বাসুডিন খেয়ে ফেলে। ঘরের মেঝেতে বাসুডিন ছড়িয়ে থাকতে দেখেই চিৎকার করেন ইসার মা। পরে ইসা জানায় যে সে গুঁড়ো দুধ ভেবে প্যাকেট ছিঁড়ে খেয়ে ফেলেছে। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির পাকস্থলী পরিষ্কার করার কিছুক্ষণ পরেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

    নিহত ইসার মামা কবির হোসেন বলেন, ইসা দুদিন আগে তার মায়ের সঙ্গে বেড়াতে আসে। আজ সকালে গুঁড়ো দুধ ভেবে বাসুডিন খেয়ে ফেলে। তাকে হাসপাতালে আনা পর্যন্ত সুস্থ ছিল। ওয়াশ করার পরপরই মারা যায়। বরগুনা সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমন বিশ্বাস বলেন, কীটনাশক খাওয়ার পর শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয়। আমরা শিশুটিকে ওয়াশ করিয়ে চিকিৎসা দিই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

    বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মদ বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতালে খোঁজ নেওয়ার জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ