বরিশাল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি পদে পুন:নির্বাচন ৩১ ডিসেম্বর
শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি পদে পুন:নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাইফুর রহমান মিরণ ও নির্বাচন কমিশনার দেবাশীষ চক্রবর্তী কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
পত্রে জানানো হয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর সভাপতি পদে পুন:নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা শেষে একই দিন ঘোষণা করা হবে ফলাফল।
৩১ ডিসেম্বর বিকাল ৪টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ যা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে ৬ টা পর্যন্ত। সভাপতি পদে ৩ প্রার্থী সমসংখ্যক ভোট পাওয়ায় নির্বাচনী বিধিমালা-২০২২ এর ২৬ নং ধারানুসারে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসংগত, বরিশাল প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩ প্রতিদ্বন্দ্বী মানবেন্দ্র বটব্যাল, কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল ও মুরাদ আহমেদ সমান সংখ্যক ২৪ ভোট পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। বরিশাল প্রেসক্লাব নির্বাচনের ইতিহাসে এর আগে সভাপতি পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ার রেকর্ড নেই।
শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে ৮টা পর্যন্ত এই ভোট গ্রহণ করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘোষনা করা হয় ফলাফল। ফলাফলে কার্যকরী কমিটির ১৭ সদস্যের মধ্যে সহ-সভাপতি হয়েছেন পুলক চ্যাটার্জী ও কাজী আল মামুন, সহ-সম্পাদক এম. জহির, কোষাধ্যক্ষ সুখেন্দু এদবর, পাঠাগার সম্পাদক মো. রুবেল খান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কেএম নয়ন, দপ্তর সম্পাদক এম. লোকমান হোসেন এবং সদস্য হয়েছেন এসএম ইকবাল, তপংকর চক্রবর্তী, কমল সেন গুপ্ত, রাজ্জাক ভুইয়া, মিজানুর রহমান, সুমন চৌধুরী ও এম. মোফাজ্জেল হোসেন।
নির্বাচনে মানব-জাকির পরিষদ কার্যকরী কমিটির ১৭ পদের মধ্যে সভাপতি বাদে সাধারন সম্পাদকসহ ১৪ পদে এবং মুরাদ-মিরাজ প্যানেল সভাপতি ব্যাতিত ২টি পদে জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র সভাপতি প্রার্থী কাজী নাসির উদ্দিন বাবুলও অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর সমসংখ্যক ২৪ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া সহ-সভাপতি পদে মনিরুল আলম স্বপন ও সদস্য পদে রফিকুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।
সভাপতি পদে ৩ প্রতিদ্বন্দ্বীর সমসংখ্যক ভোট পাওয়ার বিষয়ে প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাইফুর রহমান মিরন জানিয়েছিলেন, প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রে সভাপতি পদে দুইজন প্রার্থী সমসংখ্যক ভোট পেলে টসের মাধ্যমে চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণের বিধান রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ জন হলে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে ফের ওই পদে ভোট গ্রহণের বিষয়টি গঠনতন্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। নিয়মানুযায়ী পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে সভাপতি পদে পুনরায় ভোট গ্রহণের বিষয়টি জানিয়েছিলেন তিনি।
এমবি