ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতা হিরশিৎ ও সঞ্জিত মন্ডল বিরুদ্ধে সাতলায় মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ   ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩৪৯০ যাত্রী মমতা ব্যানার্জীকে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট হাইকোর্টের কার্যতালিকা থেকে বাদ মার্কিন অস্ত্রেও সুরক্ষা নেই, সৌদি আরবকে নাস্তানাবুদ করছে হুথিরা কলাপাড়ায় গর্ভবতী নারীকে মারধর ও সন্তান হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রভাবে ঢাক-ঢোল কারিগরদের ব্যবসায় ভাটা
  • ভোলা মুক্ত দিবস আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর

    ভোলা মুক্ত দিবস আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ১৯৭১ সালের এ দিনে পাকিস্তানী  হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় আজকের দ্বীপ জেলা ভোলা। সেদিন সকালে পাক বাহিনী ভোলা লঞ্চঘাট হয়ে কার্গো লঞ্চ যোগে পালিয়ে যায়। সকালে এ খবর পেয়ে হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ ভোলার রাজপথে নেমে আসে। ‘জয় বাংলা’ ‘তোমার নেতা, আমার নেতা’ ‘শেখ মুজিব, শেখ মুজিব’ স্লোগানে স্লোাগানে মুখোরিত করে চারপাশ। বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠে সবাই।  

    ডিসেম্বরের প্রথম থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের খবর আসতে শুরু করে। পাকিস্তানী  হানাদারেরা নিশ্চিত পরাজয় টের পেয়ে পালানোর পথ খুঁজতে থাকে। ১০ ডিসেম্বর তাদের পালিয়ে যাওয়ার খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে শহরের ভোলার খালে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের লঞ্চের গতিরোধ করার চেষ্টা করে মুক্তিকামী জনতা।

    এসময় তারা গুলি বর্ষণ করতে করতে পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীতে মিত্র বাহিনীর বিমান হামলায় কার্গো লঞ্চটি ডুবে গেলে পাকিস্তানী  হানাদেরদের সকল সদস্য নিহত হয়।

    এ ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম হাবিবুর রহমান বাসস’কে জানান, ভোলার পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে ওয়াপদা পাকিস্তানী  বাহিনীর অবস্থান ছিলো। ১০ ডিসেম্বর রাতে ওয়াপদা ঘেরাও এর পরিকল্পনা করেন মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু তারা পরাজয় জেনে আগেই সটকে পরে সেখান থেকে। পরে তাদের পালিয়ে যাবার সময় ভোলার খালে আমরা প্রতিহতের চেষ্টা করি। পাকসেনাদের পালাবার খবরে হাজার হাজার জনতা রাজপথে নেমে আসে বিজয় উল্লাসে।

    তিনি বলেন, পাকসেনারা পালিয়ে গেলে ওয়াপদা থেকে ৩০ জন বীরঙ্গনাকে উদ্ধার করা হয়। তাদের চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। সবার অংশগ্রহণে বিজয় র‌্যালী করি আমরা। এক অন্যরকম আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় সেদিন।

    এদিকে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ