শুক্রবার বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর জন্মদিন

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর জন্মদিন শুক্রবার ১৯ নভেম্বর । ১৯৭৪ সালের এই দিনে তিনি বরিশালের আগৈলঝাড়ার সেরালের পৈত্রিক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক, সাবেক চিফ হুইপ ও বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর জীবদ্দশায় নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে আজ নিজেকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালোরাত্রিতে যখন নির্বিচারে হত্যা চালানো হয়েছিল তখন সাদিক আবদুল্লাহর বয়স মাত্র দেড় বছর। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান সাদিক আব্দুল্লাহ অনেক উত্থ্যান-পতন দেখেছেন। ঘাত-প্রতিঘাত এবং অতীত জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে বাস্তবতার মুখে নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। এক যুগেরও কম সময় সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও তিনি নিজেকে আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার সুযোগ পান এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আজ নগরীর সর্বোচ্চ মসনদে আসীন হলেও তিনি সবসময় থাকতে চান জনতার কাতারে। তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।
সেরনিয়াবাত সাদিক আবদ্দুল্লাহ আলোকিত নগরপিতা সদা হাস্যময় মুখ তাঁর। নগরবাসির সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন যিনি। জীবন যাপন করছেন সদা কর্মব্যস্তময় একজন মানুষ হিসেবে। বিত্ত আর বৈভবের চূড়ায় বসেও সাধারণ মানুষ যার প্রিয়। জীবনবাদী মানুষ, চিন্তা জাগানিয়া প্রেরণাশক্তি আর নগরের উন্নয়ন যার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা সহজ-সরল এক মানুষ তিনি। যিনি সারাজীবন হৃদয়ের গহিনে লালন করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দর্শন। বরিশালের সাধারণ মানুষেরা সুখে দুঃখে যাকে পাশে পান তিনিই সাদিক আবদুল্লাহ। তবে জনপ্রিয়তায় তিনিই এখন নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ ব্যক্তি। ছাত্র, যুবক, বৃদ্ধসহ সবাই তাঁকে ঘিরেই আছেন। নেতা-কর্মীদের মধ্যে সাদিকের গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী, কর্মীদের আবেগ ও ভালোবাসার নাম তিনি। এছাড়া বরিশালবাসীর কাছের মানুষ, তাদের ভরসার ঠিকানা সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি বরিশালের সফল মেয়র।
দাদা আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও পিতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পর, এখন তিনিই দক্ষিণের আলোচিত নেতা। তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত মহানগর আওয়ামী লীগ। এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া সাদিক আবদুল্লাহ’র পিতা পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির আহবায়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।
মিডিয়াবান্ধব সাদিক আবদুল্লাহ গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যাপক মূল্যায়ন করে থাকেন। তিনি মনে করেন রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকরা একে অন্যের পরিপূরক। কারন সাংবাদিকরা লিখনীর মাধ্যমে জনগণের ভালমন্দ তুলে ধরেন। আর রাজনীতিবিদরা জনকল্যাণের জন্য রাজনীতি করেন।
আসলে শতভাগ রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান সাদিক আবদুল্লাহ একজন মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থাকতে চান। সস্তা জনপ্রিয়তা নয়, তিনি নগরীর টেকসই উন্নয়নের মতোই মানুষের কাছ থেকে টেকসই ভালবাসা আশা করছেন। তিনি তার উপর ভরসা রাখার কথা বলেন। তিনি দুর্যোগে নগরবাসীর জন্য হাটু সমান পানিতে নামতে পারেন। আবার উৎসবে ঘরে ফেরা মানুষকে নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করে তাদের জন্য নির্ঘুম রাতও কাটাতে পারেন। বহু গুণের অধিকারী এই সাদাসিধে মানুষটির জন্মদিন জন্মদিন ১৯ নভেম্বর ।
এইচকেআর