'বরিশাল নগরীতে শব্দ দূষণের সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করেছে'

বরিশাল নগরী শব্দ দূষণের মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে। ইতিমধ্যে বরিশাল নগরীতে শব্দ দূষণের সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করেছে। শব্দ দূষণ যেভাবে বাড়ছে এই ধারা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে নগরীতে শব্দ দূষণ মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। বৃহস্পতিবার বরিশালে অনুষ্ঠিত পরিবেশ অধিদপ্তরের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এই তথ্য জানানো হয়।
বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রনে সমম্বিত ও অংশিদারিত্বমূলক প্রকল্পের’ আওতায় পরিবহন চালক ও লঞ্চ শ্রমিকদের শব্দ সচেতনামূলক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আব্দুল হালিম।
কর্মশালায় জানানো হয়, বরিশাল নগরীতে শব্দ দূষণের মাত্রা হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৩১ ডেসিমেল এবং সর্বনিম্ন ৫৪ ডেসিমেল। অথচ শব্দের স্বাভাবিক সহনীয় মাত্রা হচ্ছে ৪০-৪৫ ডেসিমেল। অর্থাৎ ইতিমধ্যে স্বাভাবিক সহনীয় মাত্রা অতিক্রম করেছে। কর্মশালায় আরও জানানো হয়, শব্দদূষণ ৬০ ডেসিমেল হলে মানুষের সাময়িক বধির এবং ১০০ অতিক্রম করলে পুরোপুরি বধির হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকে।
সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বরিশালের উপ-পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, যানবহনে ব্যবহৃত হাইড্রোলিক হর্ণ শব্দদূষনের অন্যতম প্রধান কারন। বরিশালের শতভাগ পরিবহনে এ হর্ণ ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযান চালিয়ে এসব হর্ণ জব্দ করা হলেও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যাচ্ছেনা।
এইচকেআর