ঢাকা সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • সুষ্ঠু ও সুন্দর ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী           পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত পরীক্ষার্থী দুই মাস ধরে নেই ইউএনও, অতিরিক্ত কর্মকর্তা দিয়ে চলছে নলছিটি উপজেলা নিরাপদ সড়কের দাবিতে গৌরনদীতে মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ঝালকাঠির জীবা আমিনা  সচেতনতার অভাবে অসংখ্য শিশু হাম-রুবেলায় প্রাণ হারাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী  পদোন্নতির পর ওএসডি হলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর এএসআই পদে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ, আবেদন ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু
  • মসজিদের দানবাক্সে ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা

    মসজিদের দানবাক্সে ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    জেলা শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সের আটটি লোহার সিন্দুক খুলে গণনা করে ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গণনার চার মাস ১৬ দিন পর গণনা করে এই টাকা পাওয়া গেছে।

    সর্বশেষ গত ১৯ জুন দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সেসময় দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। তাছাড়া বরাবরের মতো এবারও পাওয়া গেছে প্রচুর বৈদেশিক ও দেশীয় খুচরা মুদ্রা এবং স্বর্ণালঙ্কার।

    শনিবার সকাল ৯টা থেকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা খানম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সিদ্দিকী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিহাবুল আরিফ, শফিকুল ইসলাম, অর্ণব দত্ত, পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়ার উপস্থিতিতে মসজিদ প্রাঙ্গণে রক্ষিত সিন্দুকগুলো খোলা হয়। পরে টাকা বাছাইয়ের কাজ শুরু এবং বাছাইয়ের পর প্রথমে ১২ বস্তায় টাকাগুলো ভর্তি করা  হয়।  সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত টাকা গণনার কাজ চলে। গণনা শেষে  রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকাগুলো বুঝে নেন। পাগলা মসজিদের নামে রূপালী ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট আছে। প্রতিবারই সিন্দুক খোলার পর প্রাপ্ত টাকা গণনা করে রূপালী ব্যাংকের হিসাবে জমা দেওয়া হয়।  সাধারণত ৩-৪ মাস পরপর এই সিন্দুকগুলো খোলা হয়।

    জেলা শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে স্থাপিত দুই শতাব্দী প্রাচীন মসজিদটি দেশজুড়ে পরিচিত। ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদকে ঘিরে রয়েছে অনেক জনশ্রুতি। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসলমান এই মসজিদে আসে। তারা দান ও মানত করে যায়। তাছাড়া প্রতিদিনই লোকজন গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি নিয়ে আসে। ওইগুলো বিক্রি করে মসজিদের ফান্ডে জমা দেওয়া হয়। অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনও এই মসজিদে এসে দান ও মানত করেন।

    পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধা মো. শওকতউদ্দিন ভুঁইয়া জানান, পাগলা মসজিদের ফান্ড থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণমূলক কাজে অর্থ বরাদ্দ করা হয়ে থাকে। তাছাড়া জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য অর্থ অনুদান দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অর্থ বরাদ্দ করা হয়।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ