ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ছুটছেন রোগীরা

    মনপুরা উপকূলের ঘরে ঘরে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী

    মনপুরা উপকূলের ঘরে ঘরে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় তীব্র গরমে ডায়রিয়ার মহামারীতে রুপ নিচ্ছে। উপকূলের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে ডায়রিয়া আক্রন্ত রোগী। এদিকে প্রতিনিয়ত ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীদের সেবা দিতে হিমশীম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে তীব্র গরম ও খাল-নদীর লবণাক্ততা পানি ব্যবহার করায় ডায়রিয়া রোগির প্রকোপ বাড়ছে বলে জানান চিকিৎসকরা।  

    এদিকে হাসপাতালে স্যালাইন সংকট ও রাতে হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে হাসপাতালে চিকিৎসা না নিয়ে বেশিরভাগ রোগীরা চিকিৎসকের কাছ থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়াও যাদের অবস্থা খারাপ তারা চিকিৎসা নিতে ট্রলার ও স্পীডবোট যোগে ভোলা জেলা হাসপাতালে ছুটছেন। গত কয়েক দিনে অর্ধশতাধিক ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী জেলা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিতে গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা। 

    গত ৪ দিন সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, আউটডোর ও ইনডোরে প্রতিনিয়ত গড়ে একশত থেকে দেড়শত ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের অবস্থা খারাপ তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে যেই সমস্ত রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হয় তাদের পাঠানো হচ্ছে জেলা শহরে। হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের বাহির থেকে স্যালাইন সহ অন্যন্য ঔষধ কিনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ রোগি চিকিৎসকদের কাছ থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগী সাখাওয়াত, জসিম, কামরুল, পারভেজ, কামাল, রহিমা খাতুন, বিলকিস সহ ভর্তিকৃত একাধিক রোগী অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে স্যালাইন সহ কোন ঔষধ নেই। সব ঔষধ বাহির থেকে কিনতে হয়।

    এদিকে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রোগীদের অভিযোগ কাছে স্বীকার করে বলেন, গত ৪ দিন ধরে ডায়রিয়ার স্যালাইন না থাকায় রোগীদের বাহিরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। বাহিরের ফার্মেসীতেও স্যালাইন সংকট। জরুরী ঔষধ না থাকায় রোগীদের ঠিকমত সেবা দেওয়া যাচ্ছেনা।

    এই ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রেজয়ানুল আলম জানান, গত কয়েকেদিন ধরে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এছাড়াও লকডাউনে যানবাহন সংকটের কারণে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে জরুরী ঔষধসহ স্যালাইন আনতে সমস্যা হচ্ছে। তবে দ্রæত সকল ঔষধ পাওয়া যাবে।
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ