উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে ভোলার জেলেপল্লী ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ যাতে অবাধে ভাবে ডিম ছাড়তে পারে সেজন্য ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ।
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার রাত ১২ টা থেকে আবার শুরু হচ্ছে ইলিশ শিকার। দীর্ঘদিন পর ইলিশ শিকারের সুযোগ পাওয়ায় উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে ভোলার জেলেপল্লী এবং মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রগুলো। ইলিশ শিকারে নামvর জন্য জেলেরা ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। নিষিদ্ধ কালীন সময়ে জেলেরা তাদের নৌকা এবং জাল সংস্কারসহ অন্যান্য সকল কাজ সম্পন্ন করেছে। এখন শুধু নদীতে নামার জন্য অপেক্ষা তাদের।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, গত কয়দিন ভোলার জেলেরা ইলিশ শিকার থেকে বিরত ছিল। তবে কিছু জেলের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে নেমেছে। জেলা মৎস্য বিভাগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী এ সময় ৩ শত ৮৮ টি অভিযান পরিচালনা করেছে। আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারের অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ভোলা জেলার ৭ উপজেলায় ১ শত ২৫ জেলেকে ৭ দিন থেকে ১ বছরসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৩ শত ৩৮ জন জেলের কাছ থেকে ১৩ লাখ ৫৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। জব্ধ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫৬ হাজার মিটার জাল এবং ৪৬ টি নৌকা ও ট্রলার।
ভোলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে যাতে কেউ নদীতে মাছ ধরতে না পারে সেজন্য তারা শক্ত অবস্থানে ছিলো। এবারের এই অভিযান সফল হয়েছে। অভিযান সফল হওয়ার কারণে জেলেরা এখন নদীতে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ পাবে এবং সরকারের ইলিশের যে লক্ষ্যমাত্রা সেটা পূরণ করা সম্ভব হবে।
এইচকেআর