ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে : বার্নিকাট দীর্ঘ ৯ মাস অনুপস্থিত, প্রকৌশলীকে খুঁজতে থানায় জিডি সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ : ইরান ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে কাভার্ডভ্যানের চাপায় নিহত ৩ বরগুনা‍য় নারী কর্মীদের ধাওয়া, প্রতিবাদ করায় জামায়াত নেতার ওপর হামলা ১ কোটি লিটার সয়াবিন, ৪০ হাজার টন ইউরিয়া কিনবে সরকার নলছিটিতে প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মঠবাড়িয়ায় অবৈধ ইটভাটাকে এক লাখ টাকা জরিমানা বোরহানউদ্দিনে মুক্তিপণের বিনিময়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পেলেন ৪ জেলে  আওয়ামী সরকারের আমলে যেসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করে
  • দেড় কোটি টাকার ভবন ৪০ হাজারে বিক্রি

    দেড় কোটি টাকার ভবন ৪০ হাজারে বিক্রি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

     
    ভোলার দৌলতখানের হাজিপুর ইউনিয়ন মেঘনার ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। ওই ইউনিয়নের একমাত্র স্থাপনা হাজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবনটি বিলীন হতে চলেছে।

    মেঘনা এরই মধ্যে ভবনের ভিত্তি স্পর্শ করেছে। স্কুলটি যেকোনো সময় নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে।

    এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ৩১ আগস্ট উপজেলা শিক্ষা বিভাগ তড়িঘড়ি করে উন্মুক্ত নিলাম ডেকে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় নির্মিত ভবনটি ৪০ হাজার টাকায় বেচে দিয়েছে। পাঁচজনের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা আভি আবদুল্লার কাছে এটি বিক্রি করা হয়।


    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইলি কনস্ট্রাকশন উপজেলা এলজিইডির অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণ করে। এক বছর না পেরোতেই এটি নদীগর্ভে বিলীন হতে চলেছে।

    সঠিক সময়ে ভবনটি নিলাম ডাকের ব্যবস্থা কেন হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন জানান, প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি যথাসময়ে নদীভাঙনের তীব্রতা সম্পর্কে অবহিত করেননি, যার কারণে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে নিলামের ব্যবস্থা করা যায়নি।

    এ ব্যাপারে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রহমানকে ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবার উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে ওই চরে গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সাতটি গুচ্ছগ্রামের ৪২০টি সরকারি ঘর এবং ব্যক্তি পর্যায়ের আরও চার শতাধিক ঘরের কোনো চিহ্নই নেই।

    মেঘনার ভাঙনে আট শতাধিক পরিবারের আবাসস্থল নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।


    স্থানীয় লোকজন জানান, ওই চরে সাতটি গুচ্ছগ্রামে ২০১৯ সালে আশ্রয়ণের ৪২০টি ঘর নির্মাণে ছয় কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হয়। এ ছাড়া সাত গুচ্ছগ্রামের প্রতিটির জন্য মাটি ভরাটে দেড় থেকে দুই শ টন গম-চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। সবই গেছে নদীগর্ভে। এখন ওই চরে শুধু বিদ্যালয় ভবনটিই কোনো রকমে দাঁড়িয়ে আছে। নিলামের পর শ্রমিকরা হাতুড়ি-শাবল দিয়ে ভাঙছে ভবনটি।

    গত এক বছরে চরের বাড়িঘর সব নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ওই চরের কয়েক হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এসব মানুষ এখন বেড়িবাঁধ ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

    হাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান টিপু নদীর ভাঙনে গৃহহীনদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ