ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১  বরিশালে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা বাবুগঞ্জের ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ছাত্রদল নেতা মাহফুজুল আলম মিঠু  পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ৯ যাত্রী নিয়ে বন বিভাগের ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাই কোর্টে খালাস আগৈলঝাড়া থানায় হামলা মামলার আসামি ঢাকায় ডিবির হাতে গ্রেফতার মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করলো তথ্য অধিদপ্তর
  • উজিরপুরে ধর্মান্তরিত পিতার হত্যাকারীদের বিচার দাবি 

    উজিরপুরে ধর্মান্তরিত পিতার হত্যাকারীদের বিচার দাবি 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পিতার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও সম্পদের অধিকার দেওয়ার দাবি করেছেন বেসরকারি ইবাইস ইউনিভার্সিটির প্রফেসর নিরু রায়হানের ছেলে অনির্বাণ পৃথিবী বর্ণ। শনিবার (৩ এপ্রিল) সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। এ সময় তার মা সৈয়দা শাহিন আক্তার রুনাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


    লিখিত বক্তব্যে নিহতের স্ত্রী সৈয়দা শাহিন আক্তার রুনা জানান, নিরু রায়হান ছিলেন বেসরকারি ইবাইস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক। পূর্বে তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। তখন তার নাম ছিলো নিরঞ্জন শীল। ২০০১ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ওই বছর তাদের মধ্যে বিয়ে হয়। তার স্বামীর তিন ভাই, অমল চন্দ্র শীল, বিমল চন্দ্র শীল ও মনোরঞ্জন শীল। ধর্মান্তরিত হওয়ার পর তাদের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। গত ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল নিরু তার পৈত্রিক বাড়ি বরিশালের উজিরপুর যান। ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে তাকে দই-চিড়া খেতে দেওয়া হয়। খাওয়ার পর নিরু বমি করতে থাকেন এবং বিকাল পৌনে ৪ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় ধামুরা বাজারে চিকিৎসক ও ক্লিনিক থাকা সত্ত্বেও তাকে কোথাও না নিয়ে ঘরেই রাখা হয়। নিরুর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ছেলেসহ তিনি উজিরপুরে যাওয়ার পূর্বেই মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়। নিরুর সাথে থাকা ভোটার আইডি কার্ড, ব্যাংকের এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড, নগদ ৮০ হাজার টাকা, দুটি ব্যাংকের চেক বই, একটি স্মার্ট ফোন, বাড়ির দলিলপত্র, ঘরের চাবি কোনো কিছু তাকে দেওয়া হয়নি।


    সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো দাবি করেন, নিরু বেঁচে থাকতেই তার ভাইয়েরা পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ না দেওয়ার জন্য প্রায়ই হুমকি দিতেন। সম্পত্তির জন্যই তাকে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে দই-চিড়ার সাথে বিষ মিশিয়ে দিয়ে হত্যা করা হয়। এই অভিযোগে তিনি ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তভার বরিশাল সিআইডি পুলিশকে দেয়া হয়। মামলা দায়েরের পর নিরুর ভাই মনোরঞ্জন শীল যুব উন্নয়ন অফিসের চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করতে থাকেন। তারা দেশত্যাগেরও পরিকল্পনা নিয়েছে।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ