ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এবার মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি বরিশালে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  কিস্তির টাকা তুলতে গিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, এনজিওকর্মী পিরোজপুরের রাকিবুল আটক  কুয়াকাটায় ২০ কেজির সামুদ্রিক শোল বিক্রি ১৪ হাজার টাকায় মিত্রদের ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীর, ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ঝালকাঠিতে সামান্য বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটু পানি, কচুগাছ লাগিয়ে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ খেলা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, প্রাণ গেল আর্জেন্টিনা সমর্থক স্বামীর আর্জেন্টিনার হারে বুয়েন্স আইরেসে ভয়াবহ দাঙ্গা হত্যাচেষ্টার দুই মামলায় সাবেক এমপি জ্যাকবকে গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির আটতলা ভবনে দুদক
  • চলে গেলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং

    চলে গেলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদারদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম বিদেশি সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। ওই সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন তিনি। যেখানে ফুটে ওঠে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর রোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার বর্ণনা।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য অবদান রাখা খ্যাতিমান সাংবাদিক সায়মন ড্রিং আর নেই।

    রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে গত শুক্রবার অস্ত্রোপচারের সময় মৃত্যু হয় এই ব্রিটিশ সাংবাদিকের। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

    সায়মন ড্রিংয়ের মৃত্যুতে তার সান্নিধ্য পাওয়া দেশের কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী শোক জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।

    ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও একাত্তরে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা প্রতিবেদন সায়মন ড্রিংকে বিশ্বজুড়ে এনে দেয় খ্যাতি ও সুনাম।

    একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদারদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম বিদেশি সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। ওই সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন তিনি। যেখানে ফুটে ওঠে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর রোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার বর্ণনা।

    তার তৈরি করা প্রতিবেদনগুলো মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত তৈরিতে বিশেষ অবদান রাখে।

    সায়মন ড্রিং দেশে বেসরকারি পর্যায়ের প্রথম টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে বিবিসি ছেড়ে তিনি একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেন। যমুনা টেলিভিশনের যাত্রাটাও তার হাত ধরে।

    সায়মন ড্রিংয়ের জন্ম ইংল্যান্ডে, ১৯৪৫ সালে। সাংবাদিকতা শুরু করেছেন ১৮ বছর বয়সে। কাভার করেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করে সে সময় সাইমন ড্রিং অর্জন করেন ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টার অফ দ্য ইয়ার।

    এ ছাড়া, ইরিত্রিয়া যুদ্ধের ওপর ভ্যালিয়ান্ট ফর ট্রুথ, কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের যুদ্ধের প্রতিবেদনের জন্য সনি এবং হাইতিতে আমেরিকান আগ্রাসনের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করে অর্জন করেন নিউইয়র্ক ফেস্টিভ্যাল গ্র্যান্ড প্রাইজ।

    বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে ২০১২ সালে সাইমন ড্রিংকে মৈত্রী সম্মাননা দেয় সরকার।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ