ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশালে সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে পৌনে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ ঢাবির সিনেট নির্বাচন: বরিশালে স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান ববি উপাচার্য বরিশালে রাতে হাতেম আলী কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অধ্যক্ষ বরিশালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি এখন প্লট বাণিজ্য! বরিশালে শংকর মাঠ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার এমপি সান্টুকে উজিরপুর প্রেস ক্লাবের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বিসিসি পরিদর্শনে এমপি সেলিমা রহমান  পুলিশের হেফাজত থেকে কয়েকঘন্টা পর মুক্তি পেলেন জাপা নেতা হাবুলসহ ৬ জন ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বিএনপি নেতা জিয়া সিকদার
  • চলে গেলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং

    চলে গেলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সায়মন ড্রিং
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদারদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম বিদেশি সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। ওই সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন তিনি। যেখানে ফুটে ওঠে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর রোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার বর্ণনা।

    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য অবদান রাখা খ্যাতিমান সাংবাদিক সায়মন ড্রিং আর নেই।

    রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে গত শুক্রবার অস্ত্রোপচারের সময় মৃত্যু হয় এই ব্রিটিশ সাংবাদিকের। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

    সায়মন ড্রিংয়ের মৃত্যুতে তার সান্নিধ্য পাওয়া দেশের কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী শোক জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।

    ভিয়েতনাম যুদ্ধ ও একাত্তরে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা প্রতিবেদন সায়মন ড্রিংকে বিশ্বজুড়ে এনে দেয় খ্যাতি ও সুনাম।

    একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদারদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী প্রথম বিদেশি সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। ওই সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেন তিনি। যেখানে ফুটে ওঠে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর রোমহর্ষক নির্যাতন ও গণহত্যার বর্ণনা।

    তার তৈরি করা প্রতিবেদনগুলো মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত তৈরিতে বিশেষ অবদান রাখে।

    সায়মন ড্রিং দেশে বেসরকারি পর্যায়ের প্রথম টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৭ সালে বিবিসি ছেড়ে তিনি একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেন। যমুনা টেলিভিশনের যাত্রাটাও তার হাত ধরে।

    সায়মন ড্রিংয়ের জন্ম ইংল্যান্ডে, ১৯৪৫ সালে। সাংবাদিকতা শুরু করেছেন ১৮ বছর বয়সে। কাভার করেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করে সে সময় সাইমন ড্রিং অর্জন করেন ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টার অফ দ্য ইয়ার।

    এ ছাড়া, ইরিত্রিয়া যুদ্ধের ওপর ভ্যালিয়ান্ট ফর ট্রুথ, কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের যুদ্ধের প্রতিবেদনের জন্য সনি এবং হাইতিতে আমেরিকান আগ্রাসনের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করে অর্জন করেন নিউইয়র্ক ফেস্টিভ্যাল গ্র্যান্ড প্রাইজ।

    বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে ২০১২ সালে সাইমন ড্রিংকে মৈত্রী সম্মাননা দেয় সরকার।


    এসএমএইচ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ