ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • দেশ প্রেমের জায়গা থেকে আবহমান সংস্কৃতি ধরে রাখব: বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি বোরহানউদ্দিনে ‘দরকষাকষি করে ঘুষ নেন’ ভূমি কর্মকর্তা বাকেরগঞ্জে ‘জিনের বাদশা’ পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩ হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে কর্মশালা বরিশালে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদ্‌যাপন ঝালকাঠিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নারী হাজতির মৃত্যু উজিরপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে আটক জেলেকে কারাদণ্ড ঝালকাঠিতে র‌্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য
  • দৌলতখানে জ্বালানি তেল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

    দৌলতখানে জ্বালানি তেল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভোলার দৌলতখানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারি সিন্ডিকেট।  চক্রটি জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাতের আঁধারে ড্রাম ও কন্টেইনারে করে হাজার হাজার লিটার তেল কালোবাজারে চড়া দামে বিক্রি  করছে  যা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    জানা গেছে, গত ১৫ এপ্রিল  পদ্মা ওয়েল কোম্পানির ডিপো থেকে সাড়ে ১৩ হাজার লিটার জ্বালানি তেল চালানের মাধ্যমে সংগ্রহ  করে "মেসার্স  ভাই ভাই স্টোর"। গত বুধবার অসাধু চক্র "মেসার্স  ভাই ভাই স্টোরের" সত্ত্বাধিকারী হুমায়ুন কবিরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গোডাউন থেকে এই তেল অন্যত্র সরিয়ে  ফেলে। পরে চড়া দামে কালোবাজারে বিক্রি  করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

    একাধিক ভুক্তভোগী জানান আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাই না, অথচ রাতের অন্ধকারে তেল চলে যায় অন্য জায়গায়। এটা কিভাবে সম্ভব?

    অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বিএনপি ও তার  সহযোগী  সংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর যোগসাজশে এই কালোবাজারি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স  ভাই ভাই স্টোর'র" স্বত্বাধিকারী  হুমায়ুন কবির জানান তেল গোডাউনে স্টকের পর স্থানীয় কয়েজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ওই তেল ভাগভাটোয়ারা করে নিয়ে যায়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দৌলতখান পৌরশহরের  এক তেল ব্যবসায়ী জানান আমার দোকানে তেল বিক্রি  করতে পারিনা।  অথচ হাজার হাজার লিটার তেল কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। এসব তেল গভীররাতে ভোলার বিভিন্ন  বাজারে পাচার করা হয় ।

    সরেজমিনে গত বৃহস্পতিবার সকালে দৌলতখান পৌরসভার মধ্য বাজারে গিয়ে দেখা গেছে খুচরা তেল বিক্রেতা হাসিবের দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে  তেল সংগ্রহ  করছেন গ্রাহকেরা । সেখানে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ লিটার অকটেন ১৪০ টাকায় বিক্রি  হচ্ছে। দাম বেশি হলেও তেল কিনতে তাঁরা  দীর্ঘ  সময়  অপেক্ষা করছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত  অনেকেকই তেল না পেয়ে  ফিরে  যেতে দেখা গেছে। তেল বিক্রেতা  হাসিব জানান, ডিলারের কাছ থেকে প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা দরে ক্রয় করে করেছি।  পৌর বিএনপির এক  নেতা ১৪০ টাকা দরে বিক্রি  করতে বলেছে। তাই ১৪০ টাকায় বিক্রি  করছি। 

    এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এমন অনিয়ম আরও বাড়তে পারে। এর আগে গত ৯ এপ্রিল এনএসআই ভোলা কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাওন মজুমদার সুমন দৌলতখান পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবাজার এলাকায় "দৌলতখান পেট্রোলিয়াম সার্ভিস" নামের একটি লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে  অবৈধভাবে মজুদকৃত ২০০ লিটার জ্বালানি তেল (পেট্রোল) জব্দ করেন এবং মোবাইল কোর্টে  ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ