ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • কাউনিয়া বালিকা ফাজিল মডেল মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন ভোলায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুনির পর যুবকের মৃত্যু দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও ৭ দফা দাবিতে পদ্মা ব্লোয়িংয়ে গেট মিটিং সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজাপুরের আনোয়ার হোসেনের মৃত্যু বরিশালে চার ঘন্টার অভিযানে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ বরিশাল সওজের ফেরি বিভাগ, ১০ জনের কাঁধে ৭০ জনের কাজ ঝালকাঠিতে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে সাত লাখ টাকা ও চারটি মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশালে বিসিসির ঝটিকা অভিযান উজিরপুরে সাড়ে ৩ কেজির বেশি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১
  • ঈদের ছুটির সাতদিনে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা নিয়েছে আড়াই হাজার সেবাগ্রহীতা

    ঈদের ছুটির সাতদিনে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা নিয়েছে আড়াই হাজার সেবাগ্রহীতা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঈদুল ফিতরের ৭ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যেও বরিশাল জেলায় মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়।

    জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বানারীপাড়া ও মুলাদী—এই ১০টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মোট ৫৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা রেখে সেবা প্রদান করা হয়েছে। ঈদের ছুটির এই সময়ে এসব কেন্দ্র থেকে মোট ২,৫৩০ জন সেবাগ্রহীতা চিকিৎসা নিয়েছেন।

    সূত্র জানায়, ছুটির এই ৭ দিনে প্রায় ১০টি স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) সম্পন্ন হয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রে।
    বিশেষ করে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৮ মার্চ দাড়িয়াল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি এবং ১৯ মার্চ কাকরধা ১০ শয্যা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আরেকটি স্বাভাবিক প্রসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

    দাড়িয়াল ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা গর্ভবতী সেফালি বেগম জানান, ঈদের দিন বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ি। কেন্দ্রে এসে দেখি খোলা আছে। এখানকার আপারা আমাকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মেহবুব মোর্শেদ লিটু বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও আমাদের অধীনস্থ সকল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চালু ছিল। চিকিৎসক ও জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও কোথাও সেবা ব্যাহত হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সেবা অব্যাহত রাখতে।

    ঈদের মতো দীর্ঘ ছুটিতেও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সচল রাখার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ