ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সমগতের বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক ক্যাম্প  জিয়াউর রহমান হত্যায় পলাতক আসামি মেজর মোজাফফর আটক বানারীপাড়ায় জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি  বরিশালে ১১দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে: হেলাল বরিশালে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ২১  বরিশালে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা বাবুগঞ্জের ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ছাত্রদল নেতা মাহফুজুল আলম মিঠু  পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ৯ যাত্রী নিয়ে বন বিভাগের ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন
  • ঈদের ছুটির সাতদিনে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা নিয়েছে আড়াই হাজার সেবাগ্রহীতা

    ঈদের ছুটির সাতদিনে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা নিয়েছে আড়াই হাজার সেবাগ্রহীতা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঈদুল ফিতরের ৭ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যেও বরিশাল জেলায় মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়।

    জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বানারীপাড়া ও মুলাদী—এই ১০টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মোট ৫৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা রেখে সেবা প্রদান করা হয়েছে। ঈদের ছুটির এই সময়ে এসব কেন্দ্র থেকে মোট ২,৫৩০ জন সেবাগ্রহীতা চিকিৎসা নিয়েছেন।

    সূত্র জানায়, ছুটির এই ৭ দিনে প্রায় ১০টি স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) সম্পন্ন হয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রে।
    বিশেষ করে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৮ মার্চ দাড়িয়াল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি এবং ১৯ মার্চ কাকরধা ১০ শয্যা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আরেকটি স্বাভাবিক প্রসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

    দাড়িয়াল ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা গর্ভবতী সেফালি বেগম জানান, ঈদের দিন বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ি। কেন্দ্রে এসে দেখি খোলা আছে। এখানকার আপারা আমাকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মেহবুব মোর্শেদ লিটু বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও আমাদের অধীনস্থ সকল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চালু ছিল। চিকিৎসক ও জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও কোথাও সেবা ব্যাহত হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সেবা অব্যাহত রাখতে।

    ঈদের মতো দীর্ঘ ছুটিতেও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সচল রাখার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ