ঢাকা শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাবুগঞ্জে সাপের কামড়ে মৃত্যু যুবককে জীবিত করতে ঝাঁড়ফুক জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে ভোলার ১২ কারখানা মেহেন্দিগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা, অভিভাবকদের ক্ষোভ মেহেন্দিগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সরকারি কবরস্থান পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান  ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে বিক্ষুব্ধ জনতা, পিএস জনি পুলিশ হেফাজতে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র  আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, হাল ছাড়েনি বাংলাদেশ দৌলতখানে জ্বালানি তেল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ ভিক্ষুকের কাছে ১০০ টাকায় ওষুধ বিক্রি করায় বন্ধ করে দেয়া হলো ফার্মেসি
  • ক্লিনিকে প্রেমিক যুগলের বিয়ে-বাসর

    ক্লিনিকে প্রেমিক যুগলের বিয়ে-বাসর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রেমিক ভাঙা পা নিয়ে ক্লিনিকের কেবিনে ভর্তি। অসুস্থ প্রেমিককে দেখতে গিয়ে হাসপাতালের কেবিনেই বিয়ে হয় প্রেমিক যুগলের। এর পর হাসপালের কেবিনেই হয় নবদম্পতির বাসররাত। চুয়াডাঙার আলমডাঙার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

    জানা যায়, সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের আব্দুস সোবহানের অনার্স পড়ুয়া ছেলে হুসাইন আহমেদের (২৩) ডান পা ভেঙে গেছে। ভাঙ্গা পা নিয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে আলমডাঙ্গার ফাতেমা ক্লিনিকের ৪০১নম্বর কেবিনে। সঙ্গে রয়েছেন মা-বাবা ও বোন।

    এই সংবাদ পেয়ে প্রেমিকা ঝিনাইদহ জেলার লেবুতলার তাসফিয়া সুলতানা মেঘা (১৯) গত বৃহস্পতিবার ছুটে আসেন। সবকিছু জানার পর হুসাইনের অভিভাবক ওই তরুণীর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তার বাবা মেয়েকে আর বাড়িতে তুলবেন না বলে জানিয়ে দেন। একই সঙ্গে সম্ভব হলে তাদের বিয়ে দিয়ে দিতে পরামর্শ দেন তরুণীর বাবা। মেঘাও বিয়ে করার জেদ ধরেন। এর পর গভীর রাতে হাসপাতে কাজী ডেকে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের।

    হুসাইন আহমেদের বাবা আব্দুস সোবহান বলেন, মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব থেকেই পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। এ ছাড়া ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ছেলের অসুস্থতার কথা শুনে মেয়েটি ক্লিনিকে চলে এসেছে। এরপর আমি মেয়ের পিতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলি। মেয়ের বাবা এভাবে বিয়ে দিতে রাজি না। কিন্তু মেয়েটি বিয়ে না করে এখান থেকে যাবে না এরকম জেদ ধরার পর মধ্যরাতে কাজী ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়।

    ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক মুনজুর আলী বলেন, ছেলের বাবা আব্দুস সোবহান আমার বাল্য বন্ধু। বন্ধুর ইচ্ছাতে তার ছেলের বিয়ে আমার ক্লিনিকে হয়েছে। ক্লিনিকে এরকম একটা বিয়ে হয়েছে এ জন্য আমারও ভালো লাগছে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ