ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ভোলায় ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার সাড়ে ৭ বছরে সড়কে ঝরেছে ৭৩৬৪ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী  কৃষিবান্ধব সরকার কৃষকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিবে: এমপি হাফিজ ইব্রাহিম  ‘ক্যাশলেস বরিশাল’গড়তে বাংলা কিউআর সম্প্রসারণে উদ্যোগ ববি উপাচার্যের সাথে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আনোয়ারুল হক তারিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মাদ্রাসা শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, সাময়িক বরখাস্ত তথ্যমন্ত্রীর সাথে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুল হক আক্কাস’র সৌজন্য সাক্ষাত 
  • কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে আরও ২-৩ দিন 

    কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে আরও ২-৩ দিন 
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    টানা তিনদিন পর কমতে শুরু করেছে দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীর পানি। সেই সাথে নিম্নাঞ্চলে জমে থাকা পানিও নামতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ইতিপূর্বে যে ৮টি নদীর পানি বেড়েছিল, তার মধ্যে শুক্রবার ৬টি নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবে আগের চেয়ে বেড়েছে দুই নদীর পানি। যদিও সবগুলো নদীর পানি এখনো বইছে বিপদসীমার ওপর দিয়েই।
     

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ‘শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সময় কীর্তনখোলা নদীর বিপদসীমা ২.১৪ মিটার অতিক্রম করে ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটারে ছিলো।

    অপরদিকে, ভোলা জেলার তজুমুদ্দিন উপজেলায় মেঘনা ও সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা ২.২২ মিটার ছাড়িয়ে ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন এই নদীর পানি ছিলো বিপদসীমার ১.২৭ মিটার ওপরে।

    তাছাড়া একই জেলার দৌলতখান পয়েন্টে সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমা ২.৭৫ মিটার অতিক্রম করে ৬৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন এই পয়েন্টের পানি ছিলো বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপরে।

    এছাড়া, বরিশালের হিজলা উপজেলার ধর্মগঞ্জ নদীর বিপদসীমা ২.৫০ মিটার অতিক্রম করে ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে ছিলো ধর্মগঞ্জ নদীর পানি।

    বরগুনার বিষখালী নদীর পাথরঘাটায় বিপদসীমা ১.৮৫ মিটার অতিক্রম করে ৪০ সেন্টিমিটার, বরগুনা সদরে বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমা ১.৯৭ অতিক্রম করে ৩০ সেন্টিমিটার এবং ঝালকাঠি জেলা সদরে বিষখালী নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

    আগের দিন বিষখালী নদীর পাথরখাটা উপজেলায় ৫৭ এবং ঝালকাঠি জেলার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সে হিসেবে বিষখালী নদীর দুটি পয়েন্টের পানি কিছুটা কমেছে।
    অপরদিকে, কঁচা নদীর উমেদপুর পয়েন্টে বিপদসীমা ১.৬৫ মিটার অতিক্রম করে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন নদীর এই পয়েন্টির পানি বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার ওপরে ছিলো।

    পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জ উপজেলাধীন বুড়িশ্বর ও পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমা ১.৮০ মিটার অতিক্রম করে গতকাল ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। যা আগেরদিন ছিল ১৮ সেন্টিমিটার। আমতলী উপজেলাধীন বুড়িশ্বর নদীর বিপদসীমা ২.০৭ মিটার অতিক্রম করে ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিনেও এ নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

    অপরদিকে, আগের দিনের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর পানি। শুক্রবার বলেশ্বর নদীর পিরোজপুর পয়েন্টের পানি বিপদসীমা ১.৪৯ মিটার অতিক্রম করে ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন নদীর এই পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে ছিলো। তবে তারও আগের দিন এই নদীর পানি বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছিল।

    এছাড়া বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিষখালী নদীর পানি গতকাল শুক্রবার বিপদসীমা ১.৬৮ মিটার অতিক্রম করে ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগের দিন বিষখালী নদীর পানি একই পয়েন্টে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপরে ছিলো।

    বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, ‘ভরা পূর্ণিমায় নদ-নদীর পানি এমনিতেই স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। তবে শুক্রবার বেশিরভাগ নদীর পানি অনেকটা কমেছে। তবে পানি এখনো বিপদসীমার ওপরে রয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে সব নদীর পানি বিপদসীমার নিচে নামবে বলে জানান তিনি।
     


    আরজেএন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ