৭ টাকার টিকিট ৮ টাকা, প্রতিবাদ করলেই হয়রানির হুমকি

বরিশাল সরকারি জনোরলে হাসপাতালরে বহির্বিভাগের টিকিট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি আইন অনুযায়ী বহির্বিভাগের টিকিটের মূল্য সাত টাকা হলেও প্রতি রোগী থেকে আদায় করা হচ্ছে ৮ টাকা। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের দালাল ও স্টাফদের হাতে অপমান এবং লাঞ্ছিত হতে হয় রোগীদের।
রোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতবিার বলো সাড়ে ১১টায় এ প্রতিবেদক হাজির হন সরকারি জনোরলে হাসপাতালের বহির্বিভাগে। লাইনে দাঁড়িয়ে ১১টা ৪৫ মিনিটে কাউন্টার থেকে নিজের নামে টিকিট সংগ্রহ করেন। ২০ টাকা দলিে কাউন্টার থকেে তাকে ১২ টাকা ফরেত দয়ো হয়।
কেন ৮ টাকা রাখা হলো জিজ্ঞেস করাতে কর্তব্যরত স্টাফ তারকিুল ইসলাম জানান, এক টাকা ভাঙতি না থাকায় ৮ টাকা রাখা হয়েছে। তারকিুল ইসলাম বলেন, সবার কাছ থেকেই এভাবে রাখা হয়। এই জায়গায় যার দায়িত্ব পরে, তিনিও একই ভাবে টাকা নচ্ছিনে বলে স্বীকার কওে তারিকুল।
হাসপাতাল সূত্র বলছে, প্রতিদিন গড়ে এই জেনারেল হাসপাতালে ৩০০-৪০০ রোগী বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন। সে হিসাবে প্রতি রোগী থেকে অতিরিক্ত এক টাকা হারে মাসে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা বাড়তি আদায় করা হয়।
কাশিপুর এলাকা থেকে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসা গৃহবধূ সেলিনা পারভীন বলেন, ভাই গত এক সপ্তাহ ধরে এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছি। যখনই টিকিট কাটছি, তখনই এক টাকা কম দেয়া হচ্ছে। জানতে চাইলে তাঁরা জানান ভাঙতি নাই। অনেক সময় এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের দালাল ও তাদের নিজস্ব লোক এসে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ডাক্তার দেখাতে হবে তাই তাদের কথার জবাব না দিয়ে চলে যাই।
শুধু সেলিনা পারভীন নয়, এমন অসংখ্য রোগী অভিযোগ করে জানান, ভাঙতির অজুহাত দেখিয়ে প্রতিদিন এক টাকা করে এক একজন স্টাফ অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না।
এএস