অপহরণ করে ৫৭দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার এক

অপহরণ করে ৫৭ দিন আটকে রেখে গৌরনদী উপজেলার ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণ করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন দত্তডাঙ্গা গ্রাম থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আরিফ উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের নন্দনপট্টি গ্রামের হালিম খানের ছেলে।
মামলার বাদি ভিকটিমের বোন মীম আক্তার বলেন, বোন নানা বাড়িতে গত ২৪ মে বেড়াতে যায়। সেই দিন থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর জানতে পারি, নন্দনপট্টি গ্রামের দ্বিতীয় বিয়ে করা আরিফ খান (৩৩) নেতৃত্বে ৩/৪ জনে মিলে আমার বোনের পথরোধ করে।
এ সময় বোনকে জিম্মি করে জোরপূর্বক মাহিন্দ্রায় তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বাদি হয়ে আরিফ খান, তাঁর বাবা হালিম খান ও হনুফা বেগমকে আসামি করে গত ১২জুলাই বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি অপহরণ ও ধর্ষণ করার অভিযোগে মামলা দায়ের করি। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে গৌরনদী থানার ওসিকে মামলাটি রুজু করার নির্দেশ দেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার বোনকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে আরিফ খান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন জানান, বরিশাল আদালত থেকে মামলাটি গৌরনদী থানায় পৌছলে থানার ওসি গত ১৮ জুলাই মামলাটি রুজু করেন। গোপন সূত্রে গোপালগঞ্জ জেলা সদর থানা পুলিশের সহযোগীতায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় দত্তডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত আসামি আরিফ খানকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিম ওই ছাত্রীকে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে বলে এসআই নাসিরউদ্দিন।
এইচকেআর