কবিতায় ‘চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার পেলেন কবি হেনরী স্বপন

অব্যাহত কবিতা চর্চা এবং সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করার জন্য এ বছর কবিতায় ‘চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার পেলেন কবি হেনরী স্বপন। সাহিত্যচর্চা ও ছোটকাগজ সম্পাদনায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৫ জন কবি লেখক এই পুরস্কার পেয়েছেন। গত সোমবার (১৬ জুলাই) গুলশানে অনুষ্ঠিত ‘চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩’ কমিটির মনোনীত জুরি বোর্ডের সভায় পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
কবি হেনরী স্বপনসহ প্রবন্ধে মহীবুল আজিজ, কথাসাহিত্যে হাসান অরিন্দম, তরুণ কবি মালেক মুস্তাকিম ও ছোটকাগজ সম্পাদনায় পুনশ্চ সম্পাদক রবু শেঠ পুরস্কারের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটির আহ্বায়ক কবীর আলমগীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। আগামী ১৩ অক্টোবর (শুক্রবার) তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।
কবি পরিচিতি : বরিশাল শহরেই ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের ২২ ফেব্রুয়ারি হেনরী স্বপনের জন্ম। নব্বই দশকের অগ্রগণ্য এই কবি বরিশালের অক্সফোর্ড মিশন প্রাইমারি স্কুল, হাইস্কুল এবং বরিশাল কলেজে পড়াশুনা করেছেন। নব্বইয়ের লেখকরা যে ক’জন তাদের লেখায় নিজস্বতার ছাপ রেখেছেন, কবি হেনরী স্বপন তাদেরই একজন।
কবি পরিচয়ের বাইরে তিনি লিখছেন প্রাবন্ধ ও শিশুদের ছড়া এবং ‘জীবনানন্দ’ ছোটকাগজের উল্লেখযোগ্য একজন সম্পাদক। জীবনানন্দ বিষয়ে জানার আগ্রহে কাজ করছেন। সর্বপরি তিনি একজন নিরলস সাহিত্যকর্মী হিসেবেই বাংলাদেশে সমধিক পরিচিত। বর্তমানে কবি বরিশালে দৈনিক মতবাদ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য সংগঠন, পত্রিকা এবং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সম্পাদনা, লেখালেখি ও সাহিত্যকর্মের জন্য গ্রহণ করেছেন নির্বাচিত আরও বেশ কিছু সম্মাননা ও পুরস্কার।।
কবির প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ’ : কীর্তনখোলা (একফর্মা কাব্যপুস্তিকা ১৯৯৪)। মাটির বুকেও রৌদ্রজ্বলে (একফর্মা কাব্যপুস্তিকা ১৯৯৪)। বাল্যকাল ও মোমের শরীরে আগুন (১৯৯৮)। জংধরা ধুলি (২০০১)। কাস্তে শানানো মোজার্ট (২০০৪)। ঘটনার পোড়ামাংস (২০০৯)। হননের আয়ু (২০১১)। উড়াইলা গোপন পরশে (১৪১৮)। শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০১৫)। মৃত মনিয়ার মতো (২০১৮) আলপথ দূরে (১৪২৬ বঙ্গাব্দ)। অম্লজান (২০২২) গাছেদের হিজাব পরালে (২০২৩) বেহুলাবাংলা নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কবিতা (২০২৩)। গদ্যগ্রন্থ’ : ছোটকাগজের ক্রান্তিকাল ও অন্যান্য (বইমেলা ২০১৬) কবিতা অবলোকন ও উন্মোচন (২০২৩) লিটলম্যাগ : ‘জীবনানন্দ’ কবিতাপত্রের সম্পাদনা ১৯৯২ সাল থেকে এখনও অনিয়মিত অব্যাহত আছে।
এইচকেআর