অমানবিক ডিউটিতে প্রাণ যায় ইন্টার্নি চিকিৎসকদের

হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় দিতে হচ্ছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের। ফলে চিকিৎসা দিতে গিয়ে নিজেরাই রোগী হয়ে যাচ্ছেন তারা। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে জানা গেছে, সিনিয়র চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসার পর তাদের সঙ্গে সব সময়ই ইন্টার্ন চিকি’সকদের থাকতেই হয়। এছাড়া বাকি সময়ে সবকিছুই সামলাতে হয় তাদের। রাতে ঠিকমতো ঘুমও হয়না, খাওয়া হয় না এই চিকিৎসকদের। ব্যক্তিগত কাজ করারও সময় নেই এই চিকিৎসকদের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী অনেকে জানান, নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে একজন মেডিকেল ইন্টার্নির ৭০ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু কাজ করতে হয় একশো ঘণ্টারও বেশি। সে অনুযায়ী সম্মানও নেই, সম্মানিও তাদের। খাওয়া দাওয়াও হয় না ঠিকভাবে। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সবকিছু জানলেও কেউ এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেন না। বরং বলতে গেলে তারা উল্টো ক্ষিপ্ত হন।
তাই এভাবে কাজ করতে গিয়ে দায়িত্ব পালনের সময় ইচ্ছে থাকলেও শরীরের ক্লান্তির কারণে সম্ভব হয় না বলে জানান ইন্টার্নিরা।
এমন দুর্ভোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলেও সাংবাদিকদের অসহযোগিতা করেন হাসপাতালের বেশ কয়েকজন সিনিয়র চিকিৎসক।
এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সাথে মতবাদ ডিজিটাল টিম কথা বলতে গেলে প্রশ্ন শুনে আর জবাব দিতে রাজি হননি।
আরজেএন