ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভয়ঙ্কর তথ্য এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত অনেকে বিএনপি নেত্রী আফরোজা খানম নাসরীনের পিতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বিএম কলেজ অধ্যক্ষ  জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা ভোলায় ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার সাড়ে ৭ বছরে সড়কে ঝরেছে ৭৩৬৪ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী  কৃষিবান্ধব সরকার কৃষকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিবে: এমপি হাফিজ ইব্রাহিম 
  • ‘দাম এভাবে দাম বাড়লে ব্যবসা বন্ধ করা ছাড়া উপায় নাই- সুদাম ঘোষ’

    চিনির বাজারে অস্থিরতা, হুমকির মুখে মিষ্টি ব্যবসা

    চিনির বাজারে অস্থিরতা, হুমকির মুখে মিষ্টি ব্যবসা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাজারে ১২৫ টাকার চিনি কিনতে হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। তারপরও চাহিদা মতো চিনি মিলছে না। এখন বাণিজ্যমন্ত্রী ঘোষণা দিছে, ঈদের পর দাম আরো বাড়বে। তাহলে মিষ্টির ব্যবসা কীভাবে করমু, বুঝতে পারছি না। এমন আক্ষেপের কথা জানান বরিশাল সদর রোডের গৌরনদী মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক সঞ্জীব ঘোষ।

    তিনি বলেন, ‘চিনির দাম বাড়ার কারণে আমরা দই ও মিষ্টির উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দিয়েছি। আগে এক মণ মিষ্টি বিক্রি হতো। এখন ২০ কেজি বিক্রি করতেই কষ্ট হয়। 

    ব্যবসায়ীরা জানান, চিনির দাম বেশি হওয়ায় প্রকারভেদে মিষ্টির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শুক্রবার সকালে নগরীর সদর রোড ও রূপাতলীসহ বিভিন্ন  দোকান ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে। বিক্রেতারা বলেন, মিষ্টি তৈরির প্রধান কাঁচামাল দুধ, চিনি ও ময়দা। এ তিনটি পণ্যের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার দাম বাড়তি। ফলে বিক্রি আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে।

    রূপাতলী এলাকার বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক তারক ঘোষ বলেন, গত মাসে ছানার মিষ্টির কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন সেই মিষ্টি ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা লাগছে। ঈদের পর মিষ্টির দাম কোথায় দাঁড়ায়, তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, চিনির দামের অজুহাতে অনেকে পাউডার দিয়ে তৈরি ১৫০-১৭০ টাকা দামের মিষ্টির কেজি এখন ২৫০ টাকা টাকায় বিক্রি করছেন। 

    একই এলাকার শ্রীগুরু মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক সুদাম ঘোষও বলেন, মিষ্টির বেচা-কেনা কমে গেছে। আগে তার ৮ জন কর্মচারি ছিল। বেতন দিতে না পারায় সেখান থেকে ৪ জন বাদ দিতে হয়েছে। কারণ তাদের বেতন, দোকান ভাড়া সব মিলিয়ে ব্যবসা হচ্ছে না। তিনি বলেন, এভাবে চিনির দাম বাড়তে থাকলে মিষ্টির ব্যবসায় ধ্বস নেমে যাবে। ব্যবসা গুটিয়ে নিবে অনেকেই। 

    মিষ্টি কিনতে আসা রেজাউর রহমান ক্রেতা বলেন, আগে যে মিষ্টির কেজি ২০০ টাকায় কিনেছি, এখন তা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। দাম বাড়ার পর ভালো মানের মিষ্টি পাওয়া যায় না। চিনির দামের অজুহাতে মিষ্টিও এখন ভেজাল। সব জেনেও কিনতে হচ্ছে। 

    বরিশাল বিভাগীয় হোটেল- রেস্তারাঁ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, চিনি থেকে শুরু করে সব নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি কারণে প্রতিদিন হোটেলের খাদ্য, মিষ্টি,  বেকারিপণ্য প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতারা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকবে না। 


    আরজেএন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ