থানা চত্বরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মীদের হাতাহাতি

কর্মীকে প্রাণনাশের হুমকি ও থানা চত্বরে কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন রয়েলসহ নেতাকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাকির হোসেন ভুলুর বিরুদ্ধে।গত মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা কম্পাউন্ডে এই ঘটনায় রাতে বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন আনোয়ার হোসেন রয়েল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. সুমন মিয়া।
সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েল জানান, তার সমর্থক মোজাম্মেল হোসেন সকাল ১১টার দিকে আমতলা মোড়ে জাকির হোসেন ভুলুর প্রতীকের সমর্থক মামুন খলিফার দেখা হয় মোজাম্মেল হোসেনের।
তখন মোজাম্মেল হোসেনকে মামুন বলেন, ‘আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যে যদি ঠেলাগাড়িতে যোগ না দেও, তাহলে মেরে ফেলবো’। আমি (রয়েল) ঘটনা শুনে সেখানে যাই। মামুন তার আগেই ওখান থেকে চলে যায়। এই খবর ছড়িয়ে পরলে আমার কর্মীসমর্থকরা জড়ো হন। পরে টহলরত পুলিশের সহায়তায় কোতয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দিতে মোজাম্মেল হোসেনসহ নেতাকর্মীকে নিয়ে থানায় যাই। থানায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ২০-২৫টি মোটরসাইকেলসহ থানা চত্বরে আসে ভুলু। তখন আমাদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়।
১২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ও কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেন ভুলু বলেন, ‘আমি থানা থেকে বের হওয়ার সময় রয়েলের সমর্থক আলামিন আমাকে গালাগালি করে। তখন পিছনের কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। ওইখানে কর্মীরা উচ্চবাচ্য করছে। আমি কর্মীদের নিয়ে আসছি। তারা নিজেরা নিজেরা মারামারি করে আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছে।
কোতয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) বিপ্লব মিস্ত্রি বলেন, রয়েল এলাকার একটি ঘটনা নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তখন অন্য একটি গ্রুপ চলে আসলে দুই পক্ষের তর্কবিতর্ক হয়। তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। রয়েল এই ঘটনায় আমাদের অনুমতি সাপেক্ষে রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন।
আরজেএন