নির্বাচিত হলে পরিবেশ তৈরি করা হবে শিল্প কারখানা স্থাপনের: খোকন সেরনিয়াবাত

আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগের মেয়র মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন, একটু বৃষ্টি হলে কোথাও কোথাও বুক সমান পানি জমে যায়।
এখনও অনেক স্থানে সরকারী ব্যবস্থাপনায় বিদ্যুৎ পৌছেনি। বরিশালবাসীকে যো অবহেলা করা হয়েছে তা দুঃখজনক। সবচেয়ে বেশি জুলুম করা হয়েছে অতিরিক্ত মাত্রার ট্যাক্স বসিয়ে দিয়ে। নির্বাচিত হতে পারলে হোল্ডিং ট্যাক্স মানুষের সহনীয় পর্যায়ে করা হবে। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় নগরের চৌমাথা এলাকায় ২২ও ২৩ নং ওয়ার্ডে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, নির্বাচিত হতে পারলে আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে চাই এখানকার মানুষ অর্থাৎ ধনী-গরীব সবাই মুল্যায়িত হবে। যা এতোদিন হয়নি। মহৎ কাজ সবাই করতে পারেনা। ১২ জুনের পর সিটি কর্পোরেশন সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। আমি যেখানেই কাজ করেছি সুনামের সাথে করেছি।
আমার ব্যবসাস্থল মংলা বন্দর তার বড় প্রমান। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে উন্নয়নের যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন তা থেকে বরিশাবাসী বঞ্চিত রয়েছে। শুধু তাই নয় এখানে মাদকের রয়েছে ভয়াবহ অবস্থা। নির্বাচিত হতে পারলে নগরী হবে মাদকমুক্ত।
সৃষ্টি করা হবে নতুন কর্মসংস্থান। পরিবেশ তৈরী করা হবে শিল্প কারখানা স্থাপনের। আমাদের পূর্বপুরুষ যারা স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন তাদের আদর্শ অনুসরণ করেই চলবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
আ’লীগ নেতা হালিম খানের সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, নৌকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য কেবিএস আহম্মেদ কবির, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী পান্না, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাউস কমিটির চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আনিছ উদ্দিন আহমেদ শহীদ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মশিউর রহমান খান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য অসীম দেওয়ান, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন, বিএম কলেজ বাকসুর সাবেক ভিপি মঈন তুষার, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিচ উদ্দিন দুলাল, ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার সহ আওয়ামী লীগের দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
আরজেএন