জনগণ রাজপথ দখলে নিলে স্বৈরাচারী শক্তি পালাতে বাধ্য হবে: জুনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ' সারাদেশে সরকার পতনের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠেছে। বিরোধী দলগুলো আন্দোলন করছে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, অন্তরবর্তীকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচনের জন্য।
শনিবার বিকেলে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বরে গণসংহতির প্রথম জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার ও শাসন ব্যবস্থা বদলের কার্যকর আন্দোলন গড়ে উঠতে শুরু করেছে। এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামকে সরকার ভয় পাচ্ছে। জনগনের সভা, সমাবেশ করার সাংবিধানিক অধিকারকে আওয়ামী লীগ প্রতিহত করার হুমকি দিচ্ছে। তারা রাজপথে গুন্ডা বাহিনী দিয়ে ফ্যাসিবাদি কায়দায় আন্দোলন দমন করতে চায়।
আওয়ামী লীগ এখন রাজনৈতিক দল হিসেবে সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। এখন তারা মিথ্যা প্রচারনাসহ নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে সরাসরি পুলিশ ও গুন্ডা বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে জনগণের ওপর সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাতে চায়। এগুলো হচ্ছে পতনের আগ মুহুর্তের লম্ফঝম্প। এই লম্ফঝম্প বেশিদিন টিকবে না। জনগণ যখন রাজপথ দখলে নিবে এই স্বৈরাচারী শক্তি পালাতে বাধ্য হবে। আমাদেরকে সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে।'
বরিশাল জেলা গণসংহতির আহবায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলর সভাপতিত্বে ও জেলা সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব সাকিবুল ইসলাম সাফিনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়কারী হাসান মারুফ রুমি, কেন্দ্রীয় সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভুঁইয়া, বাংলাদেশ কৃষক- মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম, ১ম বরিশাল জেলা সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মিরাজ, গণসংহতি আন্দোলন সদর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব ইয়াসমিন সুলতানা, কড়াপুর ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক নূরজাহান বেগম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি জাবের মোহাম্মদ, সহ সভাপতি হাছিব আহমেদ।
এর আগে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কৃষক- মজুর সংহতি'র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আমজাদ হোসেন। পরে অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বর থেকে একটি র্যালি বেড় করে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
উল্লেখ্য, দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুকে সমন্বয়কারী ও আরিফুর রহমান মিরাজকে নির্বাহী সমন্বয়কারী করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট বরিশাল জেলা কমিটি নতুন করে ঘোষণা করা হয়।
এইচকেআর