বৃষ্টি এলেই ভয় বরিশালবাসীর

বরিশালে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল দিকে প্রবল বৃষ্টির কারণে অধিকাংশ রাস্তা পানির নিচে ডুবে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে। এক ঘন্টা সীমাহীন বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের দাবি, নালা-নর্দমা নিয়মিত পরিষ্কার করা হচ্ছে না। এগুলো ভরাট হয়ে গেছে। পানি নামার পরিবর্তে উল্টো এলাকায় ঢুকে পড়ে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জোয়ার হলে ভোগান্তি চরমে ওঠে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের চৌমাথা খ্রিষ্ট্রান কলোনী, নবগ্রাম রোড, নিউ হাউজ রোড, বগুড়া রোড, বটতলা, করিম কুটির, কালেক্ট্রর স্কুল গেট, রূপাতলী হাউজিং, সোহরাব খান হাউজিং সড়কসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে।
বিকেলে নগরের নবগ্রাম রোড এলাকা সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তায় গোড়ালি থেকে হাঁটু পরিমাণ পানি জমেছিল। বৃষ্টির পানিতে ফুটপাতও ডুবে যায়। এতে পথচারীরা চরম বিপাকে পড়েন। সড়ক পানিতে ডুবে থাকায় গাড়ি চলাচলও করে ধীরগতিতে।
স্থানীয় মোবারক হোসেন বলেন, ড্রেন এবং খালগুলো সচল না থাকায় বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার কোনো রাস্তা পায় না। ঢাকার আশপাশের সব খাল এবং পুকুর ভরাট হয়ে গেছে, অনেকগুলো দখল হয়ে গেছে। কারও একক উদ্যোগে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। মানুষকে এই জলজট থেকে বাঁচাতে প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পিত উদ্যোগ।
বরিশাল আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক বশির আহাম্মেদ বলেন, গতকাল বিকেল ৪ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২৪ মিলিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে। তবে কবাতাসের গতি স্বাভাবিক ছিল বলে জানান এ কর্মকর্তা।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, নগরীর জলাবদ্বতা দূর করার লক্ষে প্রধান সড়কসহ অধিকাংশ অলি গলির রাস্তার সাথে ড্রেন নিমার্ণ করা হয়েছে। তবে অনেক সড়কে কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজ সর্ম্পূর্ণ হলে সড়কে আর বৃষ্টির পানি জমবে না।
টিইউ