ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাংলাদেশে ইয়াবা আসক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভয়ঙ্কর তথ্য এনসিপির গাড়িবহরে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত অনেকে বিএনপি নেত্রী আফরোজা খানম নাসরীনের পিতাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বিএম কলেজ অধ্যক্ষ  জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা ভোলায় ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার সাড়ে ৭ বছরে সড়কে ঝরেছে ৭৩৬৪ জন শিক্ষার্থীর প্রাণ ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনে নির্দেশ হাইকোর্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, দিনক্ষণ ঠিক হয়নি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী  কৃষিবান্ধব সরকার কৃষকের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিবে: এমপি হাফিজ ইব্রাহিম 
  • চরামদ্দি ইউনিয়নে সেবা পেতে গুণতে হয় টাকা

    চরামদ্দি ইউনিয়নে সেবা পেতে গুণতে হয় টাকা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    টাকা ছাড়া সেবা মেলেন‍া বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়ন পরিষদে। যেকোন ভাতা, প্রত্যায়ণপত্র এমনকি মৃত্যুর সনদ পেতেও গুণতে হয় অতিরিক্ত টাকা।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন খোকন এবং পরিষদের সচিব সেলিনা আক্তারের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমনই একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন মো. আলতাফ হোসেন খান নামের একজন ভুক্তভোগী।

    গত ১০ মে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর এই অভিযোগপত্র দাখিল করলেও রহস্যজনক কারণে এখন পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল চন্দ্র শীল বলেছেন, ‘তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন খোকন।

    অভিযোগকারী চরামদ্দি ইউনিয়নের বাদলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন খান লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, ‘চরামদ্দি ইউনিয়ন পরিষদে একটি জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন করার জন্য চার শতো টাকা করে আদায় করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সেলিনা আক্তার। আবার ইংরেজি ভার্সনে নিবন্ধন করতে হলে দিতে হয় বাড়তি টাকা।

    লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সেলিনা আক্তারের কাছে ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য গেলে তিনি নাম প্রতি দুই শতো টাকা দাবি করেন। আর প্রত্যায়ণপত্রের জন্য দিতে হয়েছে আরও একশতো টাকা। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের ভাতার কার্ড পেতে হলে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবকে দিতে হয় পাঁচ হাজার টাকা। এমনকি সালিশের জন্যও গ্রাম পুলিশ থেকে চেয়ারম্যানপত্র সর্বত্র টাকা দিতে হচ্ছে।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেবার বিনিময়ে টানা রাখার কারণ জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সেলিনা আক্তার চেয়ারম্যানের দোহাই দেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশেই এই টাকা রাখা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের বলেন। তবে প্রতিবাদ করতে গেলে বন্ধ হয়ে যায় সেবা।

    এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি সচিব সেলিনা আক্তারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ট্রলারে আছি, পরে কথা বলবো বলে ফোন কেটে দেন। তবে ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন খোকন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তার কোনটিই সত্য নয়। আমি একজন সৎ মানুষ। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাছাড়া যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, এই নামে আমার ইউনিয়নে কোন মানুষ খুঁজে পাইনি।

    অপরদিকে, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল চন্দ্র শীল প্রথমে অভিযোগ পেয়েছেন কিনা সেটা খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। তবে এর পরেই আবার তিনি বলেন, ‘তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ