বরিশালে খায়ের আবদুল্লাহর পক্ষে নির্বাচনী সভায় যোগ দিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দিয়েছেন প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজ। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা সাবেক এই সংসদ সদস্য শনিবার রাতে নগরীর সিঅ্যান্ডবি গ্যারেজ এলাকায় ওই মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
জেবুন্নেছা আফরোজ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তিনি শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর বরিশাল-৫ (সদর) আসন থেকে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আবুল খায়ের আবদুল্লাহর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, শনিবার রাতে নগরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিঅ্যান্ডবি গ্যারেজ এলাকায় আবুল খায়ের আবদুল্লাহর পক্ষে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
ওই সভায় দলীয় প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহর স্ত্রী লুনা আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এতে অতিথি হিসেবে যোগ দেন জেবুন্নেছা আফরোজ। এ সময় তিনি হাত উঁচু করে আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান।
আবুল খায়েরের নির্বাচনী কার্যালয়ের দপ্তর বিভাগের প্রধান ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি লস্কর নুরুল হক বলেন, প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন বরিশালের মানুষের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজ শনিবার খায়ের আবদুল্লাহর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এতে সাধারণ ভোটাররা উৎসাহ পাবেন।
নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রার্থীর পক্ষ থেকে যে উপদেষ্টা কমিটি করা হয়েছে, ওই কমিটিতে জেবুন্নেছা আফরোজ সদস্য হিসেবে আছেন বলে জানিয়েছেন লস্কর নুরুল হক।
বরিশাল সিটির মেয়র থাকার সময় নগরীর ব্যাপক উন্নয়ন করায় শওকত হোসেন বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। তবে ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর ২০১৪ সালে বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন শওকত হোসেন। ওই বছরের এপ্রিলে তিনি মারা যান। তাঁর শূন্য আসনে উপনির্বাচনে পরে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ। তবে ২০১৮ সালে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এর পর থেকে রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। মাঝেমধ্যে দলের বড় কোনো কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গেলেও তা নিয়মিত ছিল না।
গত এপ্রিলে বরিশাল সিটি নির্বাচনে সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দিয়েছিলেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। ওই সময় ঢাকায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাদের সঙ্গে জেবুন্নেছা আফরোজকেও দেখা গিয়েছিল।
এইচকেআর