ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শাস্তির বিধান রাখার দাবি

শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের অর্ধবার্ষিক সাধারণ সভা ক্লাবের সভাপতি কাজী নাছির উদ্দিন বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকাল ১১ টায় ক্লাবের তৃতীয় তলায় অনুষ্ঠিত অর্ধ-বার্ষিক সাধারণ সভায় সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন। প্রতিবেদনে শুরুতেই তিনি দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি চলতি বছরে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এসময় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে সদস্যবৃন্দ। এরপর অসুস্থ থাকা প্রেসক্লাবের সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের রোগমুক্তি কামনা করা হয়।
এসময় সাধারণ সম্পাদক তাঁর অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, বর্তমান কার্যকারী সংসদ দায়িত্বভার গ্রহণের পর সকল সদস্যদের সহযোগিতায় সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং ক্লাবের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ক্লাবের সকল সদস্যদের সহযোগিতায় যথাসাধ্য উন্নয়ন-অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেণ, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্লাবের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পন্ন করেছি। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা ক্লাবে সহযোগিতায় পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রতি ধণ্যবাদ জানাই। পাশাপাশি সাধারণ আলোচনায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিক নির্যাতন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন কারণে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে সাংবাদিকদের যেভাবে হয়রানি করা হচ্ছে তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদনে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়। একই সাথে সরকারের কাছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে শাস্তির বিধান রাখার দাবি জানানো হয়। এছাড়াও প্রেসক্লাবের উন্নয়ন এবং পেশাদার সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার স্বার্থ সুরক্ষায় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে অর্ধবার্ষিক সাধারণ সভায়।
অর্ধ-বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্পাদকের প্রতিবেদন এবং মুক্ত আলোচনায় অংশনেন- সিনিয়র সদস্য কাজী মকবুল হোসেন, কাজী আল-মামুন, সাইফুর রহমান মিরণ, রাহাত খান, গিয়াস উদ্দিন সুমন, নিকুঞ্জ বালা পলাশ, জিয়াউদ্দিন বাবু, মর্তুজা জুয়েল, অপূর্ব দাশ অপু, শাহীন হাসান, শাহীন হাফিজ প্রমূখ।
এছাড়াও অর্ধ-বার্ষিক সাধারণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র সদস্য নজরুল ইসলাম চুন্নু, মো. হুমায়ুন কবির, মুরাদ আহমেদ, আমিনুল ইসলাম খসরু, তপংকর চক্রবর্তী, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন চৌধুরী, বীরেন্দ্রনাথ সমাদ্দার, এম.এম আমজাদ হোসাইন, ফেরদাউস সোহাগ, আবদুর রাজ্জাক ভূইয়া, মিজানুর রহমান, প্রাচুর্য রানা, মো. জাকির হোসেন, সুমন চৌধুরী, এম জহির, এম মোফাজ্জেল, খান রফিক, সুখেন্দু এদবর, জে খান স্বপন, খান রুবেল, কে এম নয়ন. এম লোকমান হোসাইন, রেহমান আনিছ, এম মিরাজ হোসাইন, মঈনুল ইসলাম সবুজ, কে.এম এনায়েত, নাছিমুল হক, কাজী শামীম, সাগর বৈদ্য, দেওয়ান মোহন, শাহীন সুমন, রাইসুল ইসলাম অভিসহ সকল সদস্য এবং সহযোগী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এএজে