হিজলায় পল্লী চিকিৎসক মিলন হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

বরিশালের হিজলায় পল্লী চিকিৎসক মিলন হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের খাগেরচর বাজারে ৬ আগস্ট বিকাল সারে ৫ টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হামিম সহ বাজারের ব্যবসায়িরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন পরিকল্পিত ভাবে মিলনকে চিকিৎসার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করে রেখেছে রাহেলা বেগম ও আব্দুল রশিদ ঘরামী।
তারা আরো বলেন, এই ২ জন লোকের দ্বারা মিলনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলা সম্ভব না যেহেতু নদী বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে। এই হত্যার সাথে আরো কেহ জড়িত থাকতে পরে তা তদন্তের মাধ্যমে তাদেরকে চিহৃত করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানায়।
থানাসুত্রে জানায় যায় হিজলা থানা পুলিশ মিলন হত্যার ৬ মাস পরে রহস্যজনক ভাবে ২ জন হত্যাকারী স্বীকারোক্তি দিয়ে থানায় আত্নসমর্পণ করলে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করে। কিন্তুু এখন ডুবুরী দিয়ে মেঘনা নদীতে মিলনের লাশ খুঁজছে পুলিশ।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, পুলিশ ৬ মাস পরে ডুবুরী দিয়ে নদীতে লাশ খোঁজা নাটক ছাড়া কিছুই না। রশিদের দ্বারা কোন দিনই ১ কিলোমিটার দূরে লাশ নদীতে নেওয়া কোন দিনই সম্ভব না, লাশ বাড়ি আশ পাশে যে কোন স্থানে রাখতে পারে, রশিদকে রিমান্ডে এনে ভালোভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই লাশের সন্ধান বেরিয়ে আসতে পারে।
হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. ইউনুছ মিয়া জানায়, মিলন হত্যায় আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুয়ায়ী ২ জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছি, এই ঘটনায় আরো যদি কেউ জড়িত আছে কিনা তদন্ত সাপেক্ষে তা বেড়িয়ে আসবে। লাশের কোন সন্ধান আছে কিনা জানতে চাইলে ওসি বলেন, আমরা লাশের সন্ধান বের করার চেস্টা করছি।
উল্লেখ্য গত ৩০ জানুয়ারি রাতে নিখোঁজ হয় পল্লী চিকিৎসক মিলন দপ্তরী, নিখোঁজের ঘটনায় নিহত মিলনের বড় ভাই সবুজ ০২ ফেব্রুয়ারী হিজলা থানায় সাধারন ডায়রি করে। মিলনের মোবাইল কললিস্টন অনুযায়ী দীর্ঘদিন পুলিশি তদন্তের পরে ২৫ জুলাই হিজলা থানার এস আই সোহাগ আঃ রশিদ ও তার ছেলের স্ত্রীকে থানায় আসতে বলে। আসামিরা থানায় এসে অকপটে হত্যার দায় স্বীকার করে।
এইচকেআর