জানুয়ারিতে চরকাউয়া-চরমোনাইতে ৮শ’ কোটি টাকার কাজ শুরু

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ ফারুক এমপি বলেছেন, চরকাউয়া-চরমোনাইয়ের ভাঙন কবলিত এলাকার সমীক্ষা শেষ হয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির মধ্যে এই এলাকায় কাজ শুরু হবে। এখানে ৮ শ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাবনা একনেকে পাঠানো হবে।
শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া, চরমোনাই ও চরবাড়িয়া এলাকার নদী ভাঙন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চরড়বাড়িয়া এলাকায় চলমান প্রকল্প শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা চরকাউয়া-চরমোনাই নিয়ে আরেকটি প্রকল্পের পরিকল্পনা করছি। সেই প্রকল্প আগে ৫ শ’ কোটি টাকার প্রস্তাবনা ছিল। ভাঙন কবলিত এইসব এলাকায় সমীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে এই ৮ শ’ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনা হয়ে একনেকে উত্থাপনের চেষ্টা করবো। আমরা আশা করছি আগামী জানুয়ারির মধ্যে এই কাজটি শুরু হবে। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের ব্যয় ৮ শ’ কোটি টাকা হবে বলে জানান তিনি।
জাহিদ ফারুক এমপি আরো বলেন, আমি এই এলাকার সংসদ সদস্য। নদী ভাঙন এলাকা সবসময়ে আমি নিজে গিয়ে দেখি। এটা আমার দায়িত্ব। অতীতেও অনেকবার নদী ভাঙন এলাকায় গিয়েছি। প্রতিবারই যখন সময় পাই নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে যাই। তিনি বলেন, বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন হচ্ছে। আজকে আমি চরকাউয়া, লামছড়ি, বুখাইনগর ভূঁইয়াবাড়ি, নিমাই হাওলাদার বাড়ি এলাকা দেখেছি। এই এলাকাগুলোতে নদী ভাঙন কবলিত এলাকা। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে পরিদর্শন করেছি। ভাঙন কবলিত এলাকা দেখে যেখানে যেখানে কাজ করতে হবে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছি, সেভাবে কাজ হবে।
পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাজাবুবুর রহমান, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহমুতদুল হক খান মামুনসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এসএমএইচ