ঢাকা শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭ রোমে বিমানের ভেতর ৭ ঘণ্টা ধরে আটকা আড়াই শতাধিক যাত্রী উজিরপুরে হস্তিশুন্ড-কাজিরা রাস্তার বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগ বরিশালে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক  দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী গ্যাস-বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবিতে বরিশালে ১১ দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচি  বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পরিচালনা পর্ষদ’র মতবিনিময় সভা, দুই-এক দিনে ম্যানেজিং কমিটি ঘোষণা ‘র‍্যাব’ বিলুপ্ত করে আসছে ‘এসআরবি’ বিএমপি'র নবাগত পুলিশ কমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা 
  • আগৈলঝাড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা

    আগৈলঝাড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আর মাত্র চারদিন পরেই ঈদ-উল-আযহা। কোরবানির ঈদ মানেই পশু জবাই। আর পশু জবাই করতে দরকার দা, বঠি, ছুরি, চাকু, চাপাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। তাই গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী এসব জিনিসপত্র বানাতে আগুনে পোড়ানো নরম লোহায় হাতুড়ি পেটানো টুং টাং শব্দে দিন ও রাতে সমান ব্যস্ত সময় পার করছেন আগৈলঝাড়ার কামার শিল্পীরা। 

    বিভিন্ন বাজার ও কামারপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, লাল আগুনের লোহায় পিটুনিতে সরগরম হয়ে উঠেছে কামারের দোকানগুলো। 

    তবে এবছর লোহা আর কয়লার দাম বেশি হলেও সেই তুলনায় বেশি মজুরি নিতে পারছেন না তারা। তাই এবছর বেশি লাভের আশা করছেন না কামার পাড়ার দোকানিরা। বর্তমানে ভালো মানের প্রতিটি দা তৈরিতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। চাকু তৈরিতে নেয়া হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, বড় ছুরি তৈরিতে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং বঠি তৈরিতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

    কোরবানির দিন যত ঘনিয়ে আসছে কাজের ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। অধিক পরিশ্রম হলেও বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই সময়ে বাড়তি রোজগারের আশায় পথ চেয়ে থাকেন কামারপাড়ার শিল্পীরা। লোহা ও কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় কোরবানির অপরিহার্য এসব জিনিসপত্রের দামও এবার বেড়েছে বলে জানিয়েছে রাজিহার গ্রামের কামার শিল্পী অশোক সরকার, বাসুদেব দাশ। 

    অশোক সরকার জানান, এখন ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড়। কামারদের কেউ ব্যস্ত নতুন দা-বঠি তৈরিতে, আবার কেউ ব্যস্ত পুরনো দা, বঠি, ছুরি, চাপাতিতে শান দিতে। তবে নতুন কাজের চেয়ে গৃহস্থদের কাছে পশু জবাইয়ের জন্য পুরানো গুলোতেই শান দিতে বেশি ঝুঁকছেন ক্রেতারা। 

    এজন্য গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দিয়ে আগে থেকেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লোক রেখেছেন তারা। 

    সরেজমিনে আগৈলঝাড়া উপজেলা সদর বাজার, রাজিহার, গৈলা বাজার, গুপ্তেরহাট বাজার, সাহেবেরহাট, বাশাইল, পয়সারহাট, ছয়গ্রামসহ বিভিন্ন হাট বাজারে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দা, বঠি, চাকু, চাপাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করছে কামাররা। 

    শান দেয়া নতুন দা, বঠি, ছুরি ও চাকু সাজিয়ে রাখা হয়েছে দোকানের সামনে। দোকানের জ্বলন্ত আগুনের তাপে কামার শিল্পীদের শরীর থেকে ঝড়ছে অবিরাম ঘাম। চোখে মুখে প্রচন্ড ক্লান্তির ছাপ। তবুও তারা থেমে নেই। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে তাদের কাজের ব্যস্ততা। 

    ব্যবহার্য্য জিনিস স্থানীয় চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। মৌসুমী ব্যবসার জন্য পশুর মাংস বানিয়ে বাড়তি রোজগার করতে কসাইরা অনেকেই নতুন জিনিসপত্র বানাচ্ছেন। কামারপাড়ার এই ব্যস্ততা থাকবে কোরবানির দিন পর্যন্ত।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ