বরিশালে ‘কাঁচা বাদাম’ ড্রেসে ক্রেতাদের আকৃষ্ট

ঈদ উপলক্ষ্যে জমে উঠেছে বরিশালের দর্জিপাড়া। চলছে দিনরাত পোশাক তৈরির কর্মযজ্ঞ। অন্যদিকে কাঁচা বাদাম, পাকা বাদামসহ বাহারি নামের রেডিমেড পোশাক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। এদিকে বেচাকেনা বাড়ায় করোনার দুই বছরের লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ঈদকে ঘিরে বরিশাল নগরীর কাটপট্টি, চকবাজার এলাকার সব টেইলার্স এখন ব্যস্ত। শেষ মুহূর্তে দর্জিপাড়ার কর্মচারিদের কাপড় কাটাকাটি আর সেলাই করা নিয়ে দম ফেলার ফুরসত নেই। দোকানে টাঙিয়ে রাখা কাপড়গুলোই যেন তাদের ব্যস্ততার কথা জানান দিচ্ছে।
কাজের বাড়তি চাপের বিষয়ে দর্জিরা বলেন, কাজের অনেক চাপ। আমাদের দিনরাত করতে হচ্ছে। কাজ আশা করছি, এ ঈদে আগের দুই বছর করোনার জন্য যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে পারব।
ঈদের খুশিতে নিজেকে নতুন সাজে সাজাতে ও পছন্দের কাপড়ে নানা ডিজাইনের পোশাক বানাতে ক্রেতারা দর্জিপাড়ায় ভিড় করছেন।
উল্লেখ্য, নগরীতে ৩২০টি টেইলার্সের দোকান রয়েছে। কেবল চকবাজারের দর্জিপাড়াতেই প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার অর্ডার হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
অপরদিকে রেডিমেড পোশাকের দোকানগুলোও পুরোদমে জমে উঠেছে। কাঁচা বাদাম, কাজুবাদাম, পাকা বাদামসহ বাহারি নামের পোশাক এবার ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। বিক্রেতারা বলেন, এবার বাজারে কাঁচা বাদাম নামের পোশাকটিতে বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সেই সঙ্গে কাজু বাদামেরও বেশ চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি পার্টি ড্রেস ও সালোয়ার কামিজের মতো পোশাকের চাহিদা বেশি।
ঈদ ঘিরে শহরের প্রায় ৫০০ কাপড়ের দোকানে ২০০ কোটি টাকার মালামাল তোলা হয়েছে। বেচাকেনা ভালো হওয়ায় করোনায় দুই বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে বরিশালের চকবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুর রহিম বলেন, গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে আমাদের লোকসানসহ নানা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আশা রাখি, এ বছর সেটি কাটিয়ে উঠতে পারব।
এইচকেআর