ঢাকা শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল ডায়াবেটিক সমিতির তত্ত্বাবধায়ক বডি পুনর্গঠন বরিশালে জামায়াতের রুকন সম্মেলন  বরিশাল থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল টুঙ্গিপাড়ায় উদ্ধার, আটক ২  সন্ধ্যা হলেই বন্ধ হয়ে যায় হিজলা-মুলাদী ও কাজিরহাট রুটে ফেরি চলাচল, দুর্ভোগ  বরিশালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেফতার ১৮ বরিশালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেফতার ৭  আমতলীতে  খাল খনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা মঠবাড়িয়ায় ২০৭ বিদ্যালয়ে নেই উপযুক্ত খেলার মাঠ, বঞ্চিত ২১ হাজার শিক্ষার্থী লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি দুই দশক ধরে অনুমোদন, জমি ও জনবল কাঠামো আছে—বাস্তবে নেই হাসপাতাল
  • আগৈলঝাড়ায় বোরো ধান কাটা নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা

    আগৈলঝাড়ায় বোরো ধান কাটা নিয়ে চিন্তায় কৃষকরা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    আর মাত্র কয়েকদিন বাদে শুরু হবে বোরো ধান কাটা। আগাম জাতের ধান ইতি মধ্যে পাকতে শুরু করেছে। কিন্তু ধান কাটা শ্রমিকের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে এমনটি আশংকা করছেন কৃষকরা। ফলে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক ঘরে ধান তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তাই দিশেহারা হয়ে পরেছেন।

    আগৈলঝাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় বলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে চলতি বোরো মৌসুমে ৯ হাজার ৮’শ ১৮ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। তবে ৯ হাজার ৮শ ২৭ হেক্টর জমিতে ইতোমধ্যেই চাষাবাদ করা হয়েছে।  যা লক্ষমাত্রার চেয়ে ৯ হেক্টর জমি বেশি। উপজেলা কৃষি বিভাগ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৪৮ হাজার ১শ ৪৮ মেট্রিক টন চাল। 

    খেতে চলতি বছর ধানের ভাল ফলন হয়েছে। ভাল ফলন হলেও করোনা ভাইরাসের কারনে গত দুই বছরে গোপলগঞ্জ, ফরিদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, শরনখোলা, মোড়লগঞ্জ জেলা-উপজেলার ধান কাটা শ্রমিকরা আসেনি। এবারও বেশির ভাগ শ্রমিকরা আসবে না বলে জানিয়ে দেয় কৃষকদের। ফলে আগৈলঝাড়ার ধান চাষ করা কৃষকরা পড়েছে মহাবিপদে।

    শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধান বেশ ভাল হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকরা মনে করছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রোগ বালাই না থাকায় ধানের অনেক ভাল ফলন হবে। 

    কৃষি অফিসের তথ্য মতে, ইতি মধ্যে আগাম জাতের ধান পাক ধরেছে। হয়তো আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে এসব ধান কাটা শুরু হবে। 

    কৃষকরা বলছেন, উপজেলা জুড়ে ধান কাটা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক এসে ধান কেটে ঘরে তুলে দেন। কিন্তু এবার কি হবে! সময় মতো শ্রমিকরা না আসলে কিভাবে ধান ঘরে উঠবে এমন দুশ্চিন্তাই কৃষদের ঘুম নেই ! এমন ভাবনা যেন দূর্বল করে ফেলছে কৃষকদেরকে।

    উপজেলার গৈলা গ্রামের খলিলুর রহমান, কালুপাড়া গ্রামের পশিম সন্যামত, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের জালাল সরদার, কোদালধোয়া গ্রামের নবীন হালদারসহ একাধিক কৃষকরা বলেন, আমন আবাদে ধান পাকার পরেও ধান কাটতে হাতে কিছু সময় পাওয়া যায়। কিন্তু ইরি-বোরো মৌসুমে নানান রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকে। ফলে ধান পাকার সাথে সাথেই কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পরতে হয়। কয়েক বছর ধরে এমনিতে ধানের আবাদে নানা কারনে লোকসান গুনতে হয়েছে। এই মৌসুমেও যদি শ্রমিক সংকটে সময় মতো ধান ঘরে তোলা না যায় তাহলে ব্যাপক লোকসানের কবলে পরতে হবে। তাই ধান ঘরে তুলতে কৃষি শ্রমিকদের আসার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন কৃষকরা।

    এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় বলেন, শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধান বেশ ভাল হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার রোগ বালাই না থাকায় ধানের অনেক ভাল ফলন হয়েছে। ধান কাটা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক এসে ধান কেটে ঘরে তুলে দিত। কিন্তু দুই বছর করোনা ভাইরাসের কারনে ধান কাটা শ্রমিক আসেনি। এবার ধান কাটা শ্রমিকরা যাতে এসে কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিতে পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন এলাকার শ্রমিকদের সাথে কথা বলা হচ্ছে। 
     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ