উজিরপুরে কলেজ শিক্ষার্থীসহ ৩ জনকে কুপিয়ে জখম

উজিরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবা ও কলেজে পড়ুয়া ২ মেয়েকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উজিরপুর মডেল থানার এস,আই বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানা যায় উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের মুন্সিরতালুক গ্রামের দিনমজুর জুলহাস বেপারী (৫৪) এর ছেলের কবরের চারপাশে বেড়া ভেঙ্গে একই বাড়ীর সোহেল বেপারীর মা ছালেহা বেগম (৫০) ঝাড়ু দিয়ে পাতা কুড়িয়ে নেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ বিতন্ডা হয়।
কপর্যায়ে জুলহাস বেপারীকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও পরবর্তীতে দেখে নেয়ার হুমকী দিয়ে চলে যায় সোহেল বেপারী। গত ৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে সোহেল বেপারী, জুয়েল বেপারী, কাওছার বেপারী ও তার মা ছালেহা বেগম মিলে জুলহাস বেপারীর বসতঘরে ঢুকে প্রকাশ্যে হামলা চালায়। এতে জুলহাস বেপারী ও তার মেয়ে অনার্সে পড়–য়া ছাত্রী লাভনি আক্তার(২০) ও এইচ.এস.সি প্রথমবর্ষের ছাত্রী সোনামনি(১৬) গুরুতর আহত হয়।
আহতরা উজিরপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আহত দিনমজুর জুলহাস বেপারী বাদী হয়ে বুধবার অভিযুক্ত সোহেল বেপারীসহ ৪ জনকে আসামী করে উজিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে। আহত জুলহাস বেপারী জানান, আমার ছেলের কবরের চারপাশে বেড়া দেয়া ছিল। তা ভেঙ্গে অন্যায় ভাবে ছালেহা বেগম কবরের উপরে ঝাড়ু– দিয়ে পাতা কুড়িয়ে নেয়। এর প্রতিবাদ করায় আমার বসতঘর ভাংচুর চালিয়ে কলেজে পড়ুয়া আমার ২ মেয়েকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে।
অভিযুক্ত সোহেল বেপারী বলেন, আমরা কারো উপর হামলা করিনি। তবে পাতা কুড়ানো নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়েছে। উজিরপুর মডেল থানার এস.আই রবিউল জানান প্রাথমিক তদন্ত চলমান রয়েছে। মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আর্শাদ জানান অভিযোগ পেয়েছি প্রাথমিক তদন্ত চলমান। প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এইচকেআর