সেই টিউমার অপসারণ করেছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ

বরিশালের আগৈলঝাড়া-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি সেতুর এ্যাপ্রোচ সড়কে টিউমার ও অপরিকল্পিত ঢাল নির্মানের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সড়কের টিউমার অপসারন করে সংস্কার কাজ করেছে বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। বিভিন্ন সাংবাদ মাধ্যমে “মহাসড়কে সেতুর দুই পাশে টিউমার, অপসারনের উদ্যোগ নেই সওজের” এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার হলে বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের দৃষ্টি পরে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার গৈলা রথখোলা বাসষ্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পার্শ্বে এ্যাপ্রোচ সড়কের টিউমার অপসারন করে সেতুর দুপাশ সংস্কার কাজ চলছে। এর আগে এই সেতুর টিউমারের কারনে কোন পরিবহন অথবা মালবাহী ট্রাক সেতুতে উঠতে পারতো না।
মহাসড়ক এলাকায় সড়কের সেতুর ঢালে বিটুমিন ও পাথরের স্তুপ একাকার হয়ে ছোট-বড় অসংখ্য টিউমারে রূপ নিয়েছিল।
স্থানীয় আসিফ তালুকদার জানান, দীর্ঘদিন যাবত টিউমারগুলো সড়কের ওপর জেগে উঠলেও তা অপসারনের জন্য এতোদিন সড়ক ও জনপথ থেকে কার্যকরী কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর পরই সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে সেতুর দুই পাশ সংস্কার করায় তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদাসিনতার কারণেই মহাসড়কের টিউমার গুলো ছোট-বড় যানবাহন চালকদের কাছে বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছিল।
এ রুটে যাতায়াতকারী ট্রাক চালক সাইফুল মোল্লা, সুমন পাইক বলেন, এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকালে গৈলা সেতুটি এতো উঁচু করা হয়েছে গাড়ি নিয়ে উঠতে অনেক কষ্ট হয়। এছাড়া প্রায় সময় মালবাহী ট্রাক এই সেতুতে উঠতে গিয়ে ট্রাকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে ভেঙ্গে পরে।
ইজিবাইক চালক সাখওয়াত সরদার জানান, এই সেতুটি অনেক উঁচু তারপর আবার সড়কের বিভিন্ন স্থানে টিউমারের মতো ফুলে রয়েছে। যার কারনে যাত্রী নিয়ে সেতুতে উঠতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল। সড়কটি সংস্কার করায় এখন আর আমাদের যাত্রী বহনে কষ্ট হবে না।
এব্যাপারে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী মো. সুমন হোসেন জানান, বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে আমি দ্রæত ওই সড়কের যে স্থানে বিটুমিন ও পাথর স্তুপ হয়ে টিউমারের তৈরি হয়েছিল তা দ্রæত অপসারন করে সড়কটি সংস্কার করে দেয়া হয়েছে।
এমইউআর