মনপুরায় আদালতের কার্যক্রম বর্জন করলো আইনজীবিরা, ভোগান্তীতে বিচার প্রার্থীরা

মনপুরায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতের সকল কার্যক্রম বর্জন করলো সরকার দলীয় কৌশলীসহ (এপিপি) আইনজীবিরা। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের বিচারক নুরু মিয়া প্রতিমাসে বেশির ভাগ সময় আদালতে উপস্থিত না থাকায় বিচার প্রার্থীরা হয়রানী হওয়ার প্রতিবাদে আইনজীবিরা আদালত বর্জন করে।
এতে ভোগান্তিতে পড়ে বিচার প্রার্থীরা। বুধবার সকাল ১০টায় সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্থানীয় আইনজীবিরা একত্রিত হয়ে আদালত বর্জন করে।
এপিপি এ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন হাওলাদার, এ্যাডভোকেট নিমাই চন্দ্রদাস, এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামও এ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন রাহাত অভিযোগ করে জানান যে, মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরু মিয়া যোগদানের পর থেকে তিনি প্রতি মাসে দুই থেকে তিনদিনের বেশি আদালত করেনা।
এছাড়াও তিনি বিশেষ কিছু ব্যাক্তির প্ররোচনায় বিচার প্রার্থীদের জামিন দেন ও জামিন বাতিল করেন। এ সমস্ত অনিয়মের কারণে এর আগেও ঐ বিচারকে ভোলা বারের রেজ্যুলেশ নের ভিত্তিতে আইন ও বিচার মন্ত্রনালয় থেকে শোকজ করা হয়। এছাড়াও জিআর ১২/১৬ মোকাদ্দমায় চার্জসিট ও এজাহার ভূক্ত৫ আসামীকে জামিন দেয়।
এই মামলায় ৩৮০/৩৮৫/৩০৭ ধারায় চার্জশীট ভূক্ত ছিল বলে তিনি আসামীদেও জামিন দেওয়ার ক্ষমতানেই চ্যালেন্স করেন আইনজীবিরা। তারপরে ও তিনি ৫ আসামীকে জামিন দেন। সরেজমিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে দেখা গেছে, সরকার দলীয় এপিপি এ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন হাওলাদার, এ্যাডভোকেট নিমাই চন্দ্র দাস, এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামও এ্যাডভোকেট নাজিমউদ্দিন রাহাত কোর্টবর্জন করায় চেম্বার বন্ধ ও আদালতের কার্যক্রমে দেখা যায়নি।
তবে ঢাকা থেকে আগত একজন আইনজীবি এ্যাডভোকেট হুমায়ন কবিরকে আদালতে দেখা গেছে। এই ঘটনায় কোর্টে আসা বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তীতে পড়তেও দেখা গেছে। এই আদালত ৬জন আইনজী বিদ্বারা পরিচালিত হয়। এদেও মধ্যে স্থানীয় ৪জন, ঢাকার ১জন ও ভোলার ১জন। এই ব্যাপারে ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সম্পাদক এ্যাডভোকেট নুরুল আমিননুর নবী জানান, মনপুরায় সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবি ৬জনের মধ্যে ৪জন একত্রিত হয়ে কোটর্ বর্জন করে। বর্জনের বিষয়টি তিনি জানেন।
এই ব্যাপারে মনপুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুরুমিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোর্টেও কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এইচকেআর