ঢাকা শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • ববি গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতৃত্বে ভূমিকা- জান্নাত-এডিসন বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘ সাংবাদিক এম মিরাজ হোসাইনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া উপকূলের সংকট জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার আহ্বান তথ্য সচিবের কলাপাড়ায় পর্যটকবাহী বাস পুকুরে, আহত ১৩ বরিশালে শুভ জন্মাষ্টমী ‍উপলক্ষে শোভাযাত্রা বরিশালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে গা-ঢাকা দিচ্ছে অপরাধীরা, তিনদিনে গ্রেফতার ৩৮ জন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের খামখেয়ালিপনায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা দৌলতখানে বইছে ইউপি নির্বাচনের হাওয়া, ত্যাগীদের প্রাধান্য চায় কর্মীরা  কাঁঠালিয়ায় স্ত্রীর শাবলের আঘাতে প্রাণ গেল স্বামীর
  • সিএমপির প্রযোজনায় নির্মিত হবে ‘দামপাড়া’

      সিএমপির প্রযোজনায় নির্মিত হবে ‘দামপাড়া’
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল ইসলামের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের সত্য ঘটনা অবলম্বনে একটি সিনেমা নির্মাণ করা হবে। সিনেমাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘দামপাড়া’। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সিনেমার প্রযোজনা করবে।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত উপ- পুলিশ কমিশনার (পিআর) শাহাদত হুসেন রাসেল বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, সিনেমার শুটিং ২৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে শুরু হবে। এটির গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন আনন জামান। পরিচালনা করবেন শুদ্ধমান চৈতন।

    এছাড়া, ছবিতে শামসুল ইসলামের চরিত্রে অভিনয় করবেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও তার স্ত্রী মাহমুদা হক চৌধুরীর ভূমিকায় আশনা হাবিব ভাবনা।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেইজে ‘প্রযোজনায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ’ শিরোনামে এক লেখায় বলা হয়েছে, যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, পাকিস্তানিদের লক্ষ্যই ছিল চট্টগ্রামে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল ইসলামকে হত্যা করা। অবর্ণনীয় নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে হত্যা করে পাকিস্তানিরা। শহীদ হন তিনি, তবে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    এম. শামসুল হক ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। নিজ জীবন বাজি রেখে তিনি চট্টগ্রামের জনগণের সঙ্গে পুলিশকে এক করে জনযুদ্ধের সূচনা করেন। ২৮ মার্চের পর চট্টগ্রাম শহরের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে চলে যায়। ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায় এবং নির্মমভাবে হত্যা করে।

    ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর লালদিঘিতে পুলিশ সদর দফতরে স্থাপন করা হয় কন্ট্রোলরুম। সেখানে প্রতিনিয়ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা বৈঠকে মিলিত হতেন। তারা পুলিশ সুপার শামসুল হকের দিক-নির্দেশনা নিতেন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করতেন।

    ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম এলাকার সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয়। চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২০০ বাঙ্গালি সদস্য পুলিশ লাইন্সে আশ্রয় নিলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে রাজনৈতিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও এসব বাঙালি সদস্যদের হাতে অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তুলে দেওয়া হয়।

    ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ চট্টগ্রাম দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। পরে ২৯ মার্চ দিবাগত রাত ভোর ৪টার সময় পুলিশ লাইন্সের দক্ষিণ-পূর্ব দিক এবং উত্তর-পূর্ব দিক থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এক যোগে আক্রমণ করে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ভারী মেশিনগান এবং থ্রি ইঞ্চি মর্টার ব্যবহার করে। যুদ্ধরত পুলিশ সদস্যরা পাহাড়ের ঢালে এবং ট্রেঞ্চে অবস্থান করায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রথম দিকে বিশেষ বেগ পেতে হয়। পরে ভোর ৬টার দিকে গোলাবারুদের অভাবে যুদ্ধরত পুলিশ সদস্যদের প্রতিরোধ ভেঙে যায় এবং পুলিশ সদস্যদের একটি বড় অংশ শহীদ হন।


    এসএম
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ