ঢাকা সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম

বাকেরগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৯ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ

 বাকেরগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান সহ ৯ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

 


জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া নিলাম ডিক্রি, দলিল ও পর্চা সৃষ্টি করে অন্যর জমি আত্মসাতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ ৯ জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১২ ডিসেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মাহফুজ আলম এ নির্দেশ দেন।

মামলায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম উপজেলার বামনীকাঠী এলাকার আব্দুল মান্নান হাওলাদারের ছেলে। এছাড়া অন্যান্যরা হলেন দাড়িয়াল এলাকার বিনোদ বিহারী পালের মেয়ে জয়া রানী পাল ও গীতা রানী পাল, আব্দুল মান্নান হাওলাদারের অপর ছেলে আঃ রশিদ হাওলাদার, আবুল হোসেন  হাওলাদার, তহিদুল ইসলাম হাওলাদার, মেয়ে কহিনুর বেগম ও সাহানুর বেগম, বামনীকাঠীর মৃত নুর মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে হেমায়েত হোসেন খোকন।

আদালত সূত্র জানায়, একই এলাকার নরেন্দ্র নাথ পাল তার পৈত্রিক ওয়ারিশ থেকে পাওয়া ৬০২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ওই জমি আত্মসাত করতে ২০১৫ সালে একটি জাল নিলাম ডিক্রী সৃষ্টি করেন। ২০১৬ সালে ওই জাল ডিক্রী উপস্থাপন করে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এতে নরেন্দ্র পাল বাধা দেন। পরে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন নিলাম ডিক্রী জাল। এছাড়া শহিদুল ইসলাম নিলাম ডিক্রী ব্যবহার করে জাল দলিল ও পর্চা সৃষ্টি করে নরেন্দ্র পালের ৩ একর ৫৩ শতাংশ জমি নিজ নামে মালিকানা করিয়ে নেন। বাকী জমি আত্মসাত করতে নরেন্দ্র পালের দুই ফুফু জয়া ও গীতা এবং হেমায়েত হোসেনের নাম ব্যবহার করে একটি সাব কবলা দলিল সৃষ্টি করেন যা খুলনা জেলার সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিল সম্পাদন দেখানো হয়। এছাড়া জাল পর্চা সৃষ্টি করে ২০১৬ সালে ওই জমির রেকর্ড সংশোধন করার চেষ্টা করে ভূমি অফিস থেকে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন নরেন্দ্র পাল। আদালত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।

চলতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সেলিম ঘটনার সত্যতা ও আঃ মোতালেব হাওলাদার মারা যাওয়ায় তার অব্যাহতি চেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই দিন আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন।

রবিবার মামলার ধার্য তারিখে সমন প্রাপ্ত হয়েও আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক ওই নির্দেশ দেন।##


এসএম
গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ