বরিশালে বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারনে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের ৫০ ভাগ মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান ও শিক্ষা জাতীয় করনসহ বিভিন্ন দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন সমিতি।
শনিবার বেলা ১১টায় নগরীর সদররোডস্থ অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন সমিতির বিভাগীয় সমন্বয়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম খসরু, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক হানিফ হোসেন তালুকদার, অধ্যক্ষ প্রনব বেপারী, প্রধান শিক্ষক শাহ আলম, অধ্যক্ষ তাইজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপিকা ফারহানা তিথি, মো. শহিদুল ইসলাম, মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, আগামী জানুয়ারী থেকে শিক্ষকদের দাবি দাওয়া পুরন না করা হলে এদেশের সমাজ পরিবর্তন যে আন্দোলন গড়ে উঠবে শিক্ষক সমাজ সেই আন্দোলনে ঝাপিয়ে পরবে।
একই সাথে গণ অনশন, আমরন অনশনসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার হবে বক্তারা বলেন।
বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে সরকার এসেছে, সরকার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। শিক্ষা আজ ধনীদের শিক্ষায় পরিনত হয়েছে। শিক্ষা গরিবদের ধরাছোয়ার বাইরে চলে গেছে। অথচ সংবিধান মোতাবেক শিক্ষা সকল মানুষের মৌলিক অধিকার।
মহামারি করোনায় শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষকরা মারাক্তকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। দূভাগ্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী বহু প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তিবর্গকে প্রনোদনা দিয়েছেন । কিন্তু বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীরা বঞ্চিত থেকেছে।
বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের বাজারে ঊর্ধ্বগতি ও চিকিৎসা সেবা নেওয়া শিক্ষকদের জন্য দুরুহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় দাড়িয়ে বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের ৫০ ভাগ মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের জোর দাবি জানান বক্তারা।
বেসরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীরা মাসে এক হাজার টাকা বাড়িভাড়া পায়, উৎসব বোনাস দেওয়া হয় মাত্র ২৫ ভাগ। তাই আমাদের দাবি সরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসার ন্যায় আমাদেরকেও ভাতা প্রদান করতে হবে।
পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয় । মানববন্ধনে বরিশালের বিভিন্ন জেলা উপজেলা ও স্কুল কলেজের শিক্ষক, কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন।
এইচকেআর