স্বরূপকাঠিতে কুরিয়ার সার্ভিসের চুরি হওয়া মালামাল নাজিরপুরে উদ্ধার
স্বরূপকাঠির সুন্দরবন কুরিয়ার সাভিস থেকে চুরি হওয়া মালামালের আংশিক নাজির পুর উপজেলার দেউলবাড়ী দোবরা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২ টায় অভিযান শেষ হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেছারাবাদ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিয়াজ হোসেন পিপিএম ’র নেতৃত্বে নানা কৌশল অবলম্বন করে মূল আসামী জাহারুল কে সনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বৈঠাকাটা ফঁড়ির অফিসার ইন চার্জ ইন্সপেক্টর আউয়াল কবির ও নেছারাবাদ থানার এস আই শাহজাহান কবিরকে নিয়ে উদ্ধার অভিযানে নেমে জাহারুলের বাড়ী তল্লাসী করে চুরি যাওয়া মালামালের একটি সিলিং ফ্যান ও একটি টর্চ লাইট উদ্ধার করা হয়। এ
রপর জাহারুলের দেওয়া তথ্য মতে তার অপর সহযোগী বাড়ীতে অভিযান চালানো হয়। সহযোগী পালিয়ে যায়। সহযোগীর ঘর থেকে চুরি হওয়া মালামালে কিছু উদ্ধার করা হয়। জাহারুল নাজিরপুর উপজেলার দেউলবাড়ী দোবড়া গ্রামের মতিয়ার রহমান বেপারীর ছেলে। পুলিশ আইনী প্রকৃয়ায় জাহারুলকে আদালতে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ছারছীনা দরবারের দক্ষিন পাশে স্বরূপকাঠি-বরিশাল-ঢাকা সড়কের পাশে সুন্দরবন কুরয়ার সার্ভিসের স্বরূপকাঠি শাখার অফিসের শার্টার ভেঙে প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযানে নেতৃত্ব দানকারী নেছারাবাদ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিয়াজ হোসেন বলেন নানা প্রকার কৌশল অবলম্বন করে দুই দিন প্রচেষ্টার পর আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। এ কাজে বৈঠাকাটা পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ আউয়াল কবির ও কুরিয়ার সার্ভিসের পরিচালকের ছেলে রিয়াজ মাহমুদ সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। আসামী জাহারুলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। অভিযান অব্যহত রয়েছে।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবীর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এমবি