ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • সুষ্ঠু ও সুন্দর ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী           পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত পরীক্ষার্থী দুই মাস ধরে নেই ইউএনও, অতিরিক্ত কর্মকর্তা দিয়ে চলছে নলছিটি উপজেলা নিরাপদ সড়কের দাবিতে গৌরনদীতে মহাসড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ঝালকাঠির জীবা আমিনা  সচেতনতার অভাবে অসংখ্য শিশু হাম-রুবেলায় প্রাণ হারাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী  পদোন্নতির পর ওএসডি হলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর এএসআই পদে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পুলিশ, আবেদন ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু
  • তালতলীত এক যুগেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতু

    তালতলীত এক যুগেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতু
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    বরগুনার তালতলী উপজেলা সদরের পশ্চিম দিকে খোট্টারচর এলাকার একটি সংযোগ সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সেতুটি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও সেতুটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে স্থানীয়রা এই সেতুটিকে এখন এতিম সেতু বলে ডাকেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে।

    স্থানীয়রা জানান, তালতলী উপজেলার মাছ বাজার সংলগ্ন জেটিঘাট এলাকার খালের ওপরের সেতুটি ২০০৭ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিভিন্ন অংশ ভেঙে যায়। সিডরের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৪ বছরেও সেতুটির কোনো সংস্কার বা দেখার মতো কেউ নেই। বর্তমানে একেবারে ঝুঁকিপূর্ণ যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    স্থানীয় চায়ের দোকানি রফিক জানান, সেতুটির পশ্চিম দিকে নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়ন আর পূর্ব দিকে বড়বগী ইউনিয়ন। নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নেরই একাংশ খোট্টার চর এলাকা পায়রা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় এখানকার মানুষ ঝড়, জলোচ্ছ্বাসে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব মানুষের উপজেলা শহরে যাওয়ার একটি মাত্র সংযোগ সেতু। প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে এই সেতু দিয়ে। এই সেতুটির নিচের লোহার পাইলিং ভেঙে গিয়ে আলাদা হয়ে গেছে। বন্যার আঘাতেও বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। এ ছাড়া সেতুটি একদিকে হেলে পড়েছে ছোট কোনো যানবাহনও চলাচল করতে পারে না।

    বশির, কামাল, হৃদয়সহ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। বিকল্প পথ প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে। কর্তৃপক্ষের নজর নেই। যার কারণে এভাবে অরক্ষিত সেতুটি ব্যবহার করেই চলাচল করে মানুষ। তাঁদের দাবি, দ্রুত নতুন একটি সেতু নির্মাণ করা হোক।

    সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার তালতলী সরকারি কলেজ সংলগ্ন একটি আয়রন ব্রিজ একেবারেই ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথে মানুষ চলাচল করছে। এ ছাড়া কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের বেহালা গ্রামের, শানুর বাজার কাদের খান সওদাগর পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার আয়রন ব্রিজ বর্তমানে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে চলাচলের অনুপযোগী আয়রন ব্রিজটি। এ ছাড়া তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সংযোগ সেতু বা কালভার্ট গুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে।

    উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের খোট্টারচর এলাকার বেশির ভাগ মানুষজন জেলে। মাছ ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। এখানকার মানুষদের উপজেলা শহরের সঙ্গে সংযোগের একটিমাত্র পথ মাছ বাজার সংলগ্ন এই সেতুটি কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না করার ফলে সেতুটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংযোগ সেতু কালবাট দীর্ঘদিন সংস্কার না করার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে।’

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী আহম্মদ আলী বলেন, ‘তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সেতু ও কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে, সেগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। এ ছাড়া চলাচলের অনুপযোগী সেতুগুলোর তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে।’


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ