আমতলীসহ দক্ষিনাঞ্চল থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে শেয়াল

বরগুনার আমতলীসহ দক্ষিনাঞ্চলের গ্রামেগঞ্জে ঝোপঝাড়ে,ফাঁকা জমিতে দেখা মিলত বনবিড়াল, ভাম, শেয়াল, বেজির মত ক্ষুদ্র জীব জন্তুু। এখন আর গ্রাম গঞ্জে সেভাবে চোখে পড়েনা ওই প্রাণীদের ।
জনবসতি বেড়েছে, বেড়েছে চাষবাস। হরেক রকম ফসল ফলানো হয় এখন। ব্যবহার হয় কীটনাশকের। ঘরবাড়ি গড়ে তুলতে কেটে ফেলা হচ্ছে জঙ্গল। বাস্তুহারা হচ্ছে এই রকম ক্ষুদ্র জীব জন্তুর।
তাদের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর মানুষের হানাদারি,বিলুপ্ত হতে বসেছে এই প্রাণীরা। তাদেরই দু একটি প্রজাতির সামান্য সংখ্যায় যাদের দেখা যায় গ্রামের মানুষ হয় তাদের ধরে খাদ্যবস্তুতে পরিণত করে, নয়তো তাদের শিকল নিদেন পক্ষে নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে আধিপত্য দেখায় অবলা জীবেদের ওপর।
গ্রামের খেতখামারে, নদীর ধারে যে সব ক্ষুদ্র প্রাণী দেখা যায় তাও মানুষের লোভ থেকে রেহাই পায় না। একটা সময় সন্ধ্যা হলেই শেয়াল ডাকতো। শেয়ালের ডাক শুনলে ছোট বাচ্চারা ভয় পেত। এখন শেয়ালের হুক্কা হুয়া ডাক শোনতে পাওয়া যায় না। নেউল বা বেজির সংখ্যাও দিন দিন কমে যাচ্ছে।
যেমন করে শহরে জল জমা পুকুর ভরাট করে বাড়ি তৈরি করছে ঠিক সেইভাবে গ্রামের মানুষ জঙ্গল সাফ করে বাড়ি নির্মাণ করছে। জমিদারি প্রথা উঠে যাওয়ার সাথে গ্রামগঞ্জে কমছে জঙ্গল, বাড়ছে বাড়ি। গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নানা রকম জীবজন্তু। এভাবেই গ্রামের জৈব বৈচিত্র্য হারিয়ে যাবে।
এ প্রসঙ্গে আমতলী উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকতা ডা: মো. আবু সাইদ মুঠোফোনে বলেন, এসকল প্রাণীর বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর মানুষের হানাদারি বন্দ করতে হবে। জৈব বৈচিত্র্য হারিয়ে গেলে মারাতœক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে পরিবেশের । পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এসব প্রাণীদের বাচিয়ে রাখতে হবে।
এইচকেআর