তিন দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

অপহরণ করে তিন দিন আটকে রেখে বরিশালের গৌরনদী গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী (১৩)কে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া তিনটার দিকে মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের ফয়সাল মুন্সীর বাড়ি থেকে অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত জুয়েল খান (২০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই বাদি হয়ে টমটম চালক জুয়েল খান (২১)সহ ৪ জনের নামোল্লেখ করে ৭ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে গৌরনদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানার এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, গৌরনদী উপজেলার চরকুতুবপুর গ্রামের রুস্তুম খানের ছেলে টমটম চালক জুয়েল খান স্কুলে আসা যাওয়ার পথে সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে আসছিল। স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ছাত্রী গত ৮ নভেম্বর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে জুয়েল খানের নেতৃত্বে বখাটে ৬/৭ জনে ওই স্কুলছাত্রীর পথরোধ করে। এ সময় অপহরণকারীরা ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাহিদ্রায় তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এরপর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জুয়েল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশের সহযোগীতায় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া তিনটার দিকে উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে জুয়েলের ভগ্নিপতি ফয়সাল মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃতা ওই ভিকটিমকে উদ্ধার ও প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল খানকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদি হয়ে জুয়েল খানসহ ৪ অপহরণকারীর নামোল্লেখ করে ৭ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে গৌরনদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। গ্রেফতারকৃত জুয়েলকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এাসআই শহিদুল ইসলাম জানান।
এইচকেআর