ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বরিশাল নগরীর ২৭নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল মাত্র ৭ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৫৩৭ কোটির সাম্রাজ্য গড়লেন তরুণী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ গুরুতর অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি : বঙ্গভবন অবসরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত মেসির! রাজকীয় বিদায়ের প্রস্তুতি আর্জেন্টিনার পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মোদীর আশ্বাসে থামছে না আন্দোলনকারীরা, কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে ৯০ দিনেই ভোট, যেভাবে নির্বাচন করে ইসি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার
  • ব্যাংকের লোন নিয়ে জঙ্গলে বসবাস

    ব্যাংকের লোন নিয়ে জঙ্গলে বসবাস
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার সময় নিয়মনীতি মেনে লোন পেলেও পরিশোধ করতে দেরি হলে সুদের পরিমাণ বাড়তেই থাকে। এ সুযোগে ব্যাংকের কাছে রাখা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে। এমনটি একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের কর্নাটকের চন্দ্রশেখরের জীবনে।

    চন্দ্রশেখর ২০০৩ সালে ব্যাংক থেকে ৪০ হাজার টাকা লোন নিয়ে গ্রামে দেড় একর জমি চাষ করেছিলেন। কিন্তু সময়মতো তা পরিশোধ করতে পারেননি। এর ফলে তার জমি বাজেয়াপ্ত করে ব্যাংক। সেই কষ্টে ঘর ছাড়েন তিনি। সঙ্গে নিয়ে যান নিজের অ্যাম্বাসাডর ও একটি সাইকেল। প্রথমে বোনের বাড়ি উঠলেও পরে পারিবারিক বিবাদের কারণে সেখান থেকে কন্নড় জেলার একটি জঙ্গলে আশ্রয় নেন। তারপর থেকেই সেখানে কাটিয়ে দেন ১৭ বছর।

    জঙ্গলে সম্পত্তি বলতে তার একটি অ্যাম্বাসাডর আর একটি সাইকেল। অ্যাম্বাসাডরের ওপর কালো প্লাস্টিক দিয়ে ছাউনি করে বানিয়েছেন নিজের ঘর। জঙ্গলের সাপ, বিচ্ছুসহ হিংস্র প্রাণীরাও তাকে যেন আপন করে নিয়েছে। তাই ১৭ বছরে একবারও হামলার শিকার হতে হয়নি তাকে।

    বন বিভাগের কোনো কর্মী তাকে জঙ্গলে থাকতে বাধা দেয়নি। কারণ, চন্দ্রশেখর কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করেন না। পেট চালানোর জন্য জঙ্গলের শুকিয়ে যাওয়া লতা দিয়ে ঝোড়া বানান। পাশের গ্রামের বাজারে সেই ঝোড়া বিক্রি করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনেন তিনি। কখনও ঝরেপড়া ফল খেয়ে নেন। কোনো প্রাণীকে হত্যাও করেননি। বন দপ্তর তাকে জঙ্গলের রক্ষক বলে মনে করে।

    জঙ্গলে ১৭ বছর থেকেও নিজের লক্ষ্য থেকে পিছপা হননি তিনি। জমির কাগজপত্র সব এখনও নিজের কাছে গুছিয়ে রেখেছেন। ঝোড়া বেচে অল্প অল্প করে টাকা জমাচ্ছেন। তার জীবনের একটিই লক্ষ্য, জমি একদিন ফেরাতেই হবে।

    চন্দ্রশেখরের কোনো আধার কার্ড নেই। কিন্তু পরিচিতির জন্যই পাশের গ্রামের পঞ্চায়েত থেকে তাকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা জঙ্গলের মধ্যে হেঁটে গিয়ে তাকে করোনার টিকা দিয়েছেন।


    এমবি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ