ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • মেহেন্দিগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা, অভিভাবকদের ক্ষোভ মেহেন্দিগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সরকারি কবরস্থান পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান  ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ যাত্রীর সবাই নিহত রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে বিক্ষুব্ধ জনতা, পিএস জনি পুলিশ হেফাজতে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র  আইএমএফ ঋণের কিস্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, হাল ছাড়েনি বাংলাদেশ দৌলতখানে জ্বালানি তেল কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ ভিক্ষুকের কাছে ১০০ টাকায় ওষুধ বিক্রি করায় বন্ধ করে দেয়া হলো ফার্মেসি গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি জহিরকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন  ঝালকাঠিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ পরিবারের পাশে জিয়াউদ্দিন হায়দার
  • ঝালকাঠিতে ছেলেকে খুনের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করলেন বাবা

    ঝালকাঠিতে ছেলেকে খুনের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করলেন বাবা
    সংবাদ সম্মলেনে লিখিত বক্তব্যে রাখছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমির হোসেন
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজাপুর উপজেলার কানুদাসকাঠি গ্রামে নিজ পুত্র সন্তানকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমির হোসেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মলেনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিহত আল আমিনের মা জয়নব বিবি, ভাই নিরু হাওলাদার ও নিকটাত্মীয় ইদ্রিস মোল্লা।

    গত ৫ অক্টোবর ওবায়দুল হক নামে এক ব্যক্তি ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে  সংবাদ সম্মেলন করে আল আমিন হত্যার দায়ে বাবা আমির হোসেনের বিচার দাবি করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনের জবাব দিতে মঙ্গলবার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন আমির হোসেন।  

    আমির হোসেন লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ওবায়দুল হকদের সঙ্গে পূর্ব থেকেই জমি জমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে তাদের। ছেলে আল-আমিন খুন হওয়ার পরে বিপুল পরিমান অর্থ খরচ করে মামলায় আমার নাম অর্šÍভুক্ত করতে প্রতিপক্ষরা সক্ষম হয়। সংবাদ সম্মেলনে আমির হোসেন ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার এবং প্রতারক ওবায়দুল হকেরও শাস্তি দাবি করেন।

    মামলার নথিপত্র ও  নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সিরাজুল ইসলাম ওরফে আল আমিন (২০)  গত ৩ জুলাই ২০০৯ তারিখে খুন হয়। এ ঘটনায় আল আমিনের বাবা আমির হোসেন বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় পরেরদিন একই এলাকার হারুন অর রশিদ ও মন্টুসহ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানার এসআই মিজানুর রহমান, নিহত আল আমিনের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে মোজাম্মেল হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মোজাম্মেল আদালতে স্বাীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। জবানবন্দীর ওপর ভিত্তি করে তদন্ত কর্মকর্তা নিহত আল-আমিনের বাবাসহ ৭ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বর্তমানে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতে যুক্তি তর্ক উপস্থাপনের পর্যায় রয়েছে।

     


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ