ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • বাবুগঞ্জের ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ছাত্রদল নেতা মাহফুজুল আলম মিঠু  পাথরঘাটায় বলেশ্বর নদীতে ৯ যাত্রী নিয়ে বন বিভাগের ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ পিরোজপুরে হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাই কোর্টে খালাস আগৈলঝাড়া থানায় হামলা মামলার আসামি ঢাকায় ডিবির হাতে গ্রেফতার মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যমকে সতর্ক করলো তথ্য অধিদপ্তর শিক্ষাভবনে তালাবদ্ধ ব্যারিকেড, সামনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা দেশের সব মাদরাসায় ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ পালনের নির্দেশ
  • ‘সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের গীতিকার আর নেই

    ‘সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের গীতিকার আর নেই
    গীতিকার ফজল-এ খোদা
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ কালজয়ী এ গানের গীতিকার ফজল-এ খোদা আর নেই। রবিবার (৪ জুলাই) ভোর ৪টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

    গীতিকার ফজল-এ খোদা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি তিন পুত্র, স্ত্রী ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাকে রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক এই গুণী মানুষটির জন্ম ১৯৪১ সালের ৯ মার্চ, পাবনার বেড়া থানার বনগ্রামে। বাবা মুহাম্মদ খোদা বক্স এবং মা মোসাম্মাৎ জয়নবুন্নেছার ঘরে জন্ম নেওয়া তাদের প্রথম সন্তান ফজল-এ-খোদা।

    গীতিকারের ছেলে দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক ওয়াসিফ-এ-খোদা বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওয়াসিফ-এ-খোদা নিজে, তার মা এবং স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত। এর মধ্যে তার মা করোনা আক্রান্ত হয়ে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের তালিকায় সেরা ২০ গানের মধ্যে ১২তম স্থানে রয়েছে ফজল-এ-খোদার লেখা ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানটি।

    ফজল-এ-খোদার লেখা গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কতো, আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী, ‘বাসন্তী রং শাড়ি পরে কোন রমণী চলে যায়, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগ’ ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘বউ কথা কও পাখির ডাকে ঘুম ভাঙেরে, ‘খোকন মণি রাগ করে না’।

    তিনি বেতারে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন ১৯৬৩ সালে। ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ছড়াকার হিসেবে লেখালেখি শুরু করেছিলেন ফজল-এ-খোদা। দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোক সংগীত এবং ইসলামিক গান লিখে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।


    এমইউআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ