ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Motobad news
শিরোনাম
  • এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের ২ মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দিল্লিতে ১ মাস মোতায়েন থাকবে ২০ হাজার আধাসামরিক সদস্য ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে কোনো লেনদেন নয়, প্রশাসনের সতর্কবার্তা বরিশালে রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালসে যৌন হয়রানির শিকার নারী শ্রমিককে শাস্তিমূলক বদলির প্রতিবাদে গেট মিটিং  বরিশাল মহানগর পুলিশের মাস্টার প্যারেড মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা  বরিশ‍াল বিভাগের তিন জেলার ক্রীড়া সংস্থার সদস্যদের সাথে আনোয়ারুল হক তারিনের শুভেচ্ছা বিনিময় রাহুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে হাজারও মানুষ, যোগ দিলেন নেহাও বাবুগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু, আটক ২ আগৈলঝাড়ায় পোষ্ট মাস্টারের দায়িত্বে পোষ্টম্যান এই আনন্দ শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন সম্পৃক্ত হয়ে পরেন: জহির উদ্দিন স্বপন
  • বিপৎসীমার ওপরে সুরমা, বাড়ছে কুশিয়ারার পানি

    বিপৎসীমার ওপরে সুরমা, বাড়ছে কুশিয়ারার পানি
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত না হলেও উজান থেকে ঢল নামা অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে কয়েকটি পয়েন্টে পানি কমলেও সেটি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার (৩ মে) বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেট এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের তথ্যমতে, সন্ধ্যা ছয়টায় কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশীদ পয়েন্টে ১২ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় আমলশীদ পয়েন্টে ১১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছিল। এ পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার।


    এছাড়া কুশিয়ারার পানি শুক্রবার সকাল থেকে শেওলা পয়েন্টে ৯ দশমিক ৮৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ পয়েন্টে শুষ্ক মৌসুমে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় শেওলা পয়েন্টে ৮ দশমিক ৫১ সেন্টিমিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

    অন্যদিকে সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমলেও সেটি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এ নদীর পানি শুক্রবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত কানাইঘাট পয়েন্টে ১১ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ১১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। শুষ্ক মৌসুমে নদীর এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার।

    এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে ৮ দশমিক ১৯ সেন্টিমিটার এবং ছাতক পয়েন্টে ৫ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরআগে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট পয়েন্টে ৬ দশমিক ৯৭ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্টে ৫ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। শুষ্ক মৌসুমে সিলেট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৮ দশমিক ৩০ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্টে ৭ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার।

    এদিকে সারি নদীর পানিও কিছুটা কমেছে। শুক্রবার বিকেলে এ পয়েন্টে ৯ দশমিক ২৯ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরআগে বৃহস্পতিবার ১১ দশমিক ৮৭ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। একইভাবে কমেছে পিয়াইন নদীর পানি। এ নদীর পানি বৃহস্পতিবার ৯ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হলেও আজ শুক্রবার ৮ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    এদিকে পাহাড়ি ঢলে জৈন্তাপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও শুক্রবার অনেক এলাকায় পানি কমেছে। তবে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নতুন করে অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাস জাগো নিউজকে বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় শুধু পাহাড়ি ঢলই নামছে। এতে করে কয়েকটি নদনদীতে পানি কমছে। তবে বরাক দিয়ে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। বরাকের সিংহভাগ পানি কুশিয়ারা দিয়ে প্রবাহিত হয়। যার কারণে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।


    এইচকেআর
    গুগল নিউজে (Google News) দৈনিক মতবাদে’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ